home top banner

খবর

কার্বন নির্গমনের হার বাড়ছে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে
০৫ অগাস্ট, ১৩
 Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   13

উন্নয়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কার্বন নির্গমনের মাত্রা বেড়েই চলেছে পুরো বিশ্বে। এক্ষেত্রে আগে উন্নত বিশ্বকে দায়ী করা হলেও এখন বাদ যাচ্ছে না উন্নয়শীল দেশগুলোও। 

অর্থনীতিতে উন্নয়নের ক্রমবর্ধমান গতি বলে দিচ্ছে এসব দেশে কার্বন নির্গমনের হার ২০৪০ সালের মধ্যে প্রায় ১২৭ শতাংশ বেড়ে যাবে। 

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি শক্তি অধিদফতর-এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইআইএ) এ তথ্য প্রকাশ করে। 

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি অধিদফতর অনুযায়ী ২০৪০ সাল নাগাদ ৪৫.৫ বিলিয়ন টন কার্বন নির্গত হবে। অর্থাৎ ২০১০ সালে ঠিক করে দেওয়া মাত্রা থেকে প্রায় ১৪.৩ বিলিয়ন বেশি কার্বন নির্গমন করবে। ২০১০ এর হিসাব অনুযায়ী পরিসংখ্যান করে বের করা হয়েছে,   ২০৪০ সালে কার্বন নির্গমানের হার বাড়বে ৪৬ শতাংশ। 

অর্থনৈতিক কো-অপারেশন ও উন্নয়ন সংস্থা-ওইসিডি’র সদস্য উন্নত দেশগুলো জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ক্ষেত্রে তিন দশকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর কাছে হেরে যাবে। আগামী বছরগুলোতে চীন ও ভারতের কার্বন নির্গমনের হারের ঊর্ধ্বগতি এই দূষণের ক্ষেত্রে বেশি দায়ী থাকবে, যা উন্নত দেশগুলোকে ছাড়িয়ে যেতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করছেন ইআইএ’র সচিব অ্যাডাম সিমিনস্কি।  

ইআইএ’র প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ওইসিডি (অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা) অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর তীব্রতার হার ২০১০ থেকে ১ দশমিক ৯ শতাংশ কমে যাবে ২০৪০ সাল নাগাদ। আর এর বাইরের দেশগুলোর কার্বন নির্গমনের তীব্রতার হার কমবে ২ দশমিক ৭ শতাংশ। যেসব দেশের কার্বন নির্গমনের তীব্রতার হার কম, তাদের জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর হার তত কমবে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। এর হার প্রতি একক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নির্ভরশীল। 

যদিও ওইসিডি সদস্য দেশ জাপানে ২০১১ সালের সুনামির পর কার্বন নির্গমনের হার বেড়ে গেছে। কারণ, পারমাণবিক কেন্দ্রগুলোতে সেসময় ব্যাপক আকারের বিস্ফোরণ ঘটেছিল। 

যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিকল্প জ্বালানি উৎস ব্যবহার করে কার্বন নির্গমনের হার কমিয়ে এনেছে। একইসঙ্গে পাশ্চাত্যের দেশগুলোও একই পন্থা অবলম্বন করছে বলে জানালেন জ্যেষ্ঠ জ্বালানি বিশেষজ্ঞ লিন্ডা ডোমান। 

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলো অর্থাৎ বিশ্ব ব্যাংক, ইউরোপিয়ান বিনিয়োগ ব্যাংক উন্নয়নশীল দেশগুলোর কয়লাভিত্তিক জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভরশীল প্রকল্পগুলোকে অন্য দেশে করার ব্যাপারে পরামর্শ দিচ্ছে। যেগুলো পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহার করে এবং কার্বন কম নির্গত করে সে ধরনের প্রকল্পের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠছে।

এ ধরনের একটি প্রতিবেদন বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের পরিবেশ নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে বলে অনেক পরিবেশ সচেতন মানুষ ধারণা করছেন। বাংলাদেশে সম্প্রতি হাতে নেওয়া প্রকল্প রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র কার্বন নির্গমনের ক্ষেত্রে নেতিবাচক ভূমিকা রেখে পরিবেশকে আরো বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিবে, এ ব্যাপারে নিশ্চিত বিশেষজ্ঞমহল। এ ধরনের প্রকল্পই প্রকৃতপক্ষে অদূর ভবিষ্যতে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কার্বন নির্গমনের হার বাড়াবে। 

পরিবেশবাদীরা বলছেন, সুন্দরবনের ১৪ কিলোমিটারের ভেতরে কোনো ধরনের কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলে সুন্দরবনের পরিবেশ কোনভাবেই দূষণের হাত থেকে রক্ষা পাবেনা। তাই উন্নয়নশীল দেশগুলোর কার্বন নির্গমনের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে প্রথম কাতারে নিয়ে যাওয়া ঠেকাতে হবে। পরিবেশবান্ধব বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠতে হবে। 

সূত্র - বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম’

 

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: শহরেও বিকল্প জ্বালানির উৎস হতে পারে সৌরশক্তি
Previous Health News: ফনটেরার দুধে ব্যাকটেরিয়া!

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')