পারিবারিক কারণেও ক্যান্সার হতে পারে বলে জানিয়েছে একদল গবেষক। কোন পরিবারে ক্যান্সার হয়ে থাকলে উত্তরসূরীরাও এই দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রন্ত হবার ঝূঁকিতে থাকেন। এমনকি সেটি কোন ভিন্ন ধরণের ক্যান্সারও হতে পারে।
ইতালি ও সুইজারল্যান্ডে ২৩,০০০ লোককে নিয়ে করা এক গবেষণা হয়েছে যেখানে প্রতি ১৩ জনে একজন ক্যান্সার আক্রান্ত ছিলেন। এদের প্রত্যেকের পরিবারেই কেউ না কেউ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
অন্যদিকে, ক্যান্সার চিকিতসাদাতা সংস্থাগুলো বলছে, ক্যান্সার জিন, জীবন যাপন পদ্ধতি ও পরিবেশের উপর নির্ভর করে।
এই গবেষণাপত্রটি 'অ্যানালস অব অনকোলজি'তে প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে ১২০০০ বিভিন্ন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের সাথে সুস্থদের তুলনা করে বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। গবেষকরা এ বিষয়ের যাবতীয় তথ্য উপাত্ত প্রথম সারির ক্যান্সার আক্রান্ত আত্মীয়দের কাছ থেকে নেন। অর্থাৎ শতকরা ৫০ শতাংশ জিন যাদের মধ্যে শেয়ার হয়। যেমন: বাবা-মা, সহোদর ও সন্তানাদি।
গবেষণায় উঠে এসেছে এই প্রথম সারির কারো যদি বাগযন্ত্রে ক্যান্সার হয়ে থেকে তবে উত্তরসূরীদের ওরাল বা গলায় ক্যান্সার হবার ঝূঁকি তিনগুণ বেড়ে যায়। পরিবারের কোন মহিলার ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার হয়ে থাকলে বেড়ে যেতে পারে স্তন ক্যান্সারের আশঙ্কা। আবার পরিবারের কারও পিত্ত থলিতে ক্যান্সার হলে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের প্রোস্টেট ক্যান্সার হতে পারে।সূত্র: বিবিসি
সূত্র -poriborton.com

