‘ফুকুশিমা থেকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ সাগরে মিশেছে’
১১ জুলাই, ১৩
Posted By: Healthprior21
Viewed#: 30
সুনামিতে অচল ফুকুশিমা পরমাণু কেন্দ্রের চুল্লি ছিদ্র হয়ে উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয় পদার্থ প্রশান্ত মহাসাগরে পড়েছে বলে সন্দেহ করছে জাপানের পরমাণু সংস্থা (এনআরএ)।
ফুকুশিমার পরিচালনা প্রতিষ্ঠান টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ারের (টেপকো) ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে এনআরএ গতকাল বুধবার বলেছে, ভূগর্ভস্থ পানিতে তেজস্ক্রিয় পদার্থের উপস্থিতি হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার কারণ ও উৎস শনাক্ত করতে ব্যর্থ হয়েছে টেপকো। আমাদের জোরালো সন্দেহ উচ্চমাত্রার দূষিত বর্জ্য পদার্থ মাটির নিচ দিয়ে বের হয়ে সাগরে ছড়িয়ে পড়েছে।
এনআরএ জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার ফুকুশিমা দাইচি প্রকল্পে ভূগর্ভস্থ পানির নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে দেখা গেছে, ওই পানিতে ক্যানসার সৃষ্টিকারী ‘সিজিয়াম-১৩৪’-এর মাত্রা শুক্রবারের চেয়ে ১১০ গুণ বেশি।
এনআরএর অন্যতম কমিশনার তয়োশি ফুকেতা বলেন, ‘টেপকো বলছে এর ফলে পরিবেশের ওপর খুব বেশি প্রভাব পড়বে না। কিন্তু আমরা দেখছি, এতে সাগরের পানি দূষিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
২০১১ সালের মার্চে ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট সুনামিতে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুকুশিমা পরমাণু কেন্দ্র। এতে কেন্দ্রটির পরমাণু চুল্লিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে তেজস্ক্রিয়তার সম্ভাব্য প্রভাব এড়াতে হাজার হাজার স্থানীয় মানুষ ওই সময় বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।
অচল কেন্দ্রটি এখন বিপদমুক্ত করার কাজ করছে টেপকো। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি চুল্লি শীতল করতে হাজার হাজার টন পানি সেখানে মজুত করা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ফুকুশিমাকে বিপদমুক্ত করার কাজ সম্পূর্ণ করতে চার দশক সময় লেগে যেতে পারে।
সূত্র - প্রথম আলো
আরও খবর
সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷
কিন্তু...
আরও দেখুন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন হয়েছে।
বুধবার ঢাকা...
আরও দেখুন
অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়।
ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে
১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।...
আরও দেখুন
চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে।
এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল...
আরও দেখুন
ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷
বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে...
আরও দেখুন
বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।...
আরও দেখুন