পোড়া স্থানে বরফগলা পানি নয়
১৮ মার্চ, ১৩
Viewed#: 197
রান্নাঘরে কাজ করতে গিয়ে বা হঠাৎ দুর্ঘটনাবশত হাত, পা বা শরীরের অন্য কোনো জায়গা পুড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা প্রায়ই ঘটে। ছোটখাটো পোড়ার ঘটনা বাড়িতেই প্রাথমিক চিকিৎসা করে অনেকটা সারিয়ে তোলা যায়। তবে পোড়ার মাত্রা বেশি হলে প্রাণনাশের আশঙ্কাও থাকে। সে ক্ষেত্রে দ্রুত কোনো বার্ন ইউনিট বা জরুরি বিভাগে চলে যাওয়াই ভালো। এবার জেনে নিন সামান্য পোড়ায় বাড়িতে দ্রুত কী কী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এক. পোড়া স্থানটিকে দ্রুত ঠান্ডা করে নিন। এ জন্য কলের ঠান্ডা পানির ধারায় স্থানটি ১৫ থেকে ৩০ মিনিট ধরে রাখুন। পোড়া জায়গা ঠান্ডা করতে অবশ্য বরফ বা বরফগলা পানি ব্যবহার না করাই উচিত। এতে কোষের আঘাত আরও বাড়তে পারে।
দুই. হালকা ক্ষারযুক্ত সাবান পানি দিয়ে জায়গাটা পরিষ্কার করে নিন আলতো করে। ঘষাঘষি করবেন না। আঘাতপ্রাপ্ত স্থানটি পরিষ্কার রাখলে জীবাণু সংক্রমণের ভয় কম।
তিন. কোনো ময়লা বা মরা কোষ থাকলে তা পরিষ্কার করে নেওয়া ভালো। কিন্তু ফোসকা গলাবেন না। জোর করে পোড়া ত্বক ওঠাতে চেষ্টা করবেন না।
চার. একটা ব্যথানাশক মলম (অ্যানেস্থেটিক ক্রিম) এবং পোড়ায় ব্যবহার করা হয় এমন জীবাণুরোধী মলম (যেমন বার্না, বার্নল ইত্যাদি) হালকা একটি স্তর করে লাগিয়ে নিন। অ্যালোভেরা জেলও লাগানো যায়। এতে অনেকটা আরাম পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আঘাতের মাত্রা ও জীবাণুর সংক্রমণ কমবে।
পাঁচ. জায়গাটা পরিষ্কার করা এবং মলম লাগানো হয়ে গেলে জীবাণুমুক্ত গজ বা পাতলা কাপড় দিয়ে আলতো একটা ব্যান্ডেজ করে নিতে পারেন। এমনভাবে করবেন, যেন তা খুব শক্ত বা আঁটো না হয়।
ছয়. প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হতে পারে অথবা হাসপাতালে ড্রেসিং ও ব্যান্ডেজ করা লাগতে পারে। সে ক্ষেত্রে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দেখা করুন।
সাত. আপনার বাড়ির প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যাগ বা বাক্সে অবশ্যই পুড়লে ব্যবহার করতে হয় এমন মলম ও জীবাণুমুক্ত গজ-ব্যান্ডেজের প্যাকেট রাখবেন।
সূত্র : প্রথম আলো
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-03-18/news/337396
আরও স্বাস্থ্য টিপ
মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত...
আরও দেখুন
বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের...
আরও দেখুন
ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷
• শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে...
আরও দেখুন
গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি...
আরও দেখুন
ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব...
আরও দেখুন
ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক...
আরও দেখুন