home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

অফিসে থাকুন ফুরফুরে
১০ নভেম্বর, ১৩
Tagged In:  be the charming  
  Viewed#:   150

be the charmingঅফিস তো আর ঘর না, যে সবকিছুই সহজে মিটে যাবে। পরিবারের সবাই মোটামুটি বুঝে গেছে আপনাকে। কিন্তু সমস্যায় পরতে হয় অফিসে।

মনের মতো কিছু না হলে, বা কোনো কাজের জন্য কারো কাছে উপদেশ শুনতে হলে রাগে গজ গজ করতে থাকেন।আর এই স্বভাবটার জন্য অনেকেই ভয় পায় আপনাকে, আবার  অনেকে বিরক্ত হয়।

এ রকম সমস্যা আছে আমাদের  অনেকেরই। এ ধরনের মানুষরা রেগে গেলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। ফলে সমস্যার সৃষ্টি হয় কর্মক্ষেত্রে। অনেকে বলে থাকেন, আমি তো ইচ্ছে করে এমনটা করি না’। এটা সত্যি যে আপনি ইচ্ছে করে এমনটা করেন না।

রেগে গেলে আপনার নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা আর আপনার হাতে থাকে না। কিন্তু অফিসের কাজের স্বার্থে এবং সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখাতে এই রাগটাকে তো বশে রাখতেই হবে।

রাগ অনেকের বংশগত হয়ে থাকে। অনেকের সাংসারিক জটিলতা, অর্থের অভাব, যোগ্যতানুযায়ী কাজের অভাবস হ পারিপার্শ্বিক অনেক কারণে রাগ হয়ে থাকে।

তবে ঘন ঘন ও মাত্রাতিরিক্ত রেগে যাওয়াকে এক ধরনের মানসিক রোগ বলে মনে করে থাকেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে ভালো কোনো মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত।

কিন্তু যারা স্বভাব সুলভ যেখানে সেখানে বিশেষ করে কর্মক্ষেত্রে রেগে যান, তাদের রাগ নিয়ন্ত্রণে আজকে  রইলো কিছু টিপস।

অফিসে আপনাকে অনেক ধরনের মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হয়। সবারই আলাদা চরিত্র থাকে।  তাই অফিসে সব সময়ই নিজেকে একটু মানিয়ে চলতে হবে।

এজন্য অনেক কিছু ভালো না লাগলেও ছাড় দিতে হবে। কারো ওপর যদি মেজাজ খারাপ হয়েই যায় বেশিক্ষণ তার সামনে না থেকে কাজ থেকে একটু অবসর নিয়ে হাঁটাহাঁটি করুন।

আপনি যেহেতু অফিসের বস নন, তাই অন্যের সঙ্গে বসের মতো আচরণ করবেন না। কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করাতে হলে আদেশ না দিয়ে অনুরোধ করুন।

এতে সম্পর্ক সুন্দর হবে। আর কেউ যদি আপনার সঙ্গে এমন আচরণ করেই ফেলে তাহলে রেগে না গিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে, অনেকটা ঠাট্টার ছলে তাকে উপযুক্ত জবাব দিয়ে দেন।

অল্পতেই যারা রেগে যান তাদের জন্য ধীরে ধীরে ১ থেকে ১০ পর্যন্ত উল্টো করে গোনার বিষয়টি খুব কাজ দেয়। নিজের আসনে একটু রিল্যাক্স করে মৃদু শব্দে পছন্দের কোনো গান বা কবিতা শুনুন। তা সম্ভব না হলে মজার কোনো স্মৃতি মনে করুন। দেখবেন মনটা ভালো হয়ে গেছে।

আপনার পাশের সিটে যে ব্যক্তিটি কাজ করেন তাকে আপনার পছন্দ নাও হতে পারে।তাই বলে তাকে সব সময় এড়িয়ে চলবেন না। তার সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী সৌজন্যমূলক ব্যবহার করুন।

একজনের রাগ অন্যজনের ওপর ঝাড়বেন না। যেমন বাসায় কোনো বিষয়ে রাগারাগি করেছেন, সেই রাগ অফিসের কারো সাথে ঝাড়বেন না। প্রয়োজনে কিছুক্ষণ একা থাকুন।

যে কারণে রেগে গেছেন বা যার ওপরে রেগে গেছেন তাকে সবার সামনে অপমান করবেন না, বা তখনই সব সম্পর্ক ছিন্ন করে দেবেন না।সুযোগ বুঝে দুজনে আলাদা ভাবে কোথাও বসে বিষয়টি নিয়ে খোলাখুলি কখা বলুন।

আরেকটি কথা, অতিরিক্ত কাজের চাপে কারো সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে ফেললে, মাথাঠাণ্ডা হলে তাকে সরি বলতে ভুলবেন না। এতে আপনি ছোট হয়ে যাবেন না, বরং ভুল বোঝাবুঝির অবসান হবে।

অফিসে সব সময় গুরুগম্ভীর না থেকে, নিজেকে ফুরফুরে মেজাজে রাখুন, সবার সঙ্গে কথা বলুন। প্রয়োজনে অন্যের কাজে সহযোগিতা করুন।


সূত্র - risingbd.com

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: Are you drinking too much water?
Previous Health Tips: ঘরের জানালা পরিষ্কারে কিছু টিপস

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')