home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

চা পানে খেয়াল রাখুন চিনির পরিমাণে
২৮ অক্টোবর, ১৩
Tagged In:  cautious about tea sugar  
  Viewed#:   124

চা বাঙালির জীবনের এখন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। শুরুতে চীন থেকে যখন সারা বিশ্বে এর ব্যবহার ছড়িয়ে পড়ে তখন তা নিছকই এক বিলাস বা শখ পূরণের জন্য সুস্বাদু পানীয় হিসেবে ব্যবহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু কালে কালে চা যতটা সুলভ হতে শুরু করল, মানুষের দৈনন্দিন জীবনেও ধীরে রীতিমত অপরিহার্য একটি দ্রব্য হিসেবে এর প্রবেশ ঘটতে লাগলো। আর এখন তো আয়ুর্বেদিক দ্রব্য হিসেবে চা এর কত রকম গুণাগুণের কথাও আমরা জানি। তাই স্বাদ আর গুণ- সব মিলিয়ে চা যেন এক অনন্য পানীয়।

যারা নিয়মিত চা পান করেন তাদের অনেকেই ঘুমের ঘোর কাটাতে সকালে উঠেই চুমুক দেন এক কাপ চায়ে। এরপরে দিনের শুরুতে সারা বিশ্বের খবরা খবর জানার জন্য সংবাদপত্রটা হাতে নেয়ার সময় যদি হাতে এক কাপ গরম গরম চা পাওয়া যায় তাহলে তো কথাই নেই! অফিসে গিয়ে কাজের চাপে একঘেয়ে লাগছে, কিংবা মাথা ধরেছে? এই সমস্যারও সহজ সমাধান চা। আবার দুপুরে খাওয়ার পরে আবারো কাজ শুরু করার আগে আলসেমি ভাবটা কাটিয়ে শরীরটাকে একটু ফুরফুরে করে নিতেও সেই এক কাপ চা, বিকেলের নাশতা কিংবা বিভিন্ন তেলে-ভাজার সাথেও চা! সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরে হাত মুখ ধুরে ফ্রেশ হয়ে একটু চটপটে হয়ে নিতেও আবার সেই চা!

এভাবে অনেকেই দিনের মধ্যে বেশ কয়েক কাপ চা খেয়ে ফেলেন হিসেব ছাড়াই।
যদিও চা খাওয়ার সময় এত বেশি চা খাওয়ার ফলাফল সম্পর্কে কেউই চিন্তা করেন না, তাও স্বাস্থ্যের খাতিরে কিছুটা ভাবতে হয় বৈ কি! তবে বিভিন্ন গবেষণা বলছে যে, বেশি চা পান শরীরের জন্য একেবারেই খারাপ নয়। ব্যস  চিন্তা ছেড়ে দিলেন তো এটুকু শুনেই? পুরোটা শুনে নিন আগে!

চায়ের উপরে বিভিন্ন গবেষণা এটাও বলছে যে, বেশি চা পানে কোনো স্বাস্থ্য ঝুঁকি না থাকলেও বারবার চা পান করতে গিয়ে আপনি যে মাত্রায় চিনি গ্রহণ করছেন সেটা কিন্তু বেশ ঝুঁকি পূর্ণ হতে পারে! তাই যাদের অভ্যাস আছে সারাদিনে বেশ কয়েকবার চা পান করার, তাদের অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে চা-তে চিনির পরিমাণটা যেন থাকে একেবারেই কম।

চা শরীরে জলের অভাবে পূরণ করে। আমাদের দেশে সাধারণত দুধ-চিনি মেশানো সুস্বাদু দুধ চায়েরই প্রচলন বেশি। এছাড়া লাল চা বা র’ চা-ও এখানে বেশ প্রচলিত এবং শরীরের জন্যেও উপকারী। এছাড়া বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে সবুজ চা বা গ্রিন টি শরীরের জন্য বেশ উপকারী। আবার শরীরের চাহিদা অনুযায়ী আয়ুর্বেদের কাজ করে বিভিন্ন ধরনের চা, যেমন- সাদা চা, কালো চা, উলং চা, হার্বাল চা ইত্যাদিও বেশ জনপ্রিয়। কিছু চা ক্যান্সার প্রতিরোধক হিসেবেও কাজ করে।

তাই সবদিক বিবেচনা করে দিনে আট কাপ পর্যন্ত চা পান করা যেতেই পারে। কিন্তু এতবার চা পান করলে কিছু ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে। যারা গর্ভবতী নারী, কিংবা শিশুদের ক্ষেত্রেও চা খাওয়ার সময়টা নির্দিষ্ট হওয়া উচিত। যাদের শরীরে আয়রনের পরিমাণ কম তারা চা পান করুন সকাল বা দুপুরের ভারী খাবার খাওয়ার অন্তত এক ঘণ্টা পরে। আর সবাইকেই খেয়াল রাখতে হবে যে সব রোগের সূচনাকারী ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য শারীরিক জটিলতাকে এড়িয়ে যেতে চাইলে চায়ে চিনির পরিমাণ নির্দিষ্ট রাখুন এবং পরিমাণটাও যেন অবশ্যই কম হয় সেদিকেও নজর দিন।


সূত্র - natunbarta.com

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: জি জ্ঞা সা
Previous Health Tips: ত্বকের যত্নে আলু

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')