
প্রধান প্রধান কিডনি রোগ হচ্ছে-
* কিডনির ইনফেকশন বা নেফ্রাইটিস
* ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি অর্থাৎ দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস জনিত কিডনি রোগ
* দীর্ঘদিন উচ্চ রক্ত চাপ জনিত কিডনি রোগ Acute Kidney Injur [অকও] অর্থাৎ আকস্মিক কিডনি বিকল।
* Chronic Kidney Disease [CHD] অর্থাৎ ধীর গতিতে কিডনি বিকল।
* Renal Stone Disease অর্থাৎ কিডনিতে পাথর হওয়া।
* Urinary Tract Infection বা প্রস্রাবের ইনফেকশন।
* কিডনি ও মূত্র নালিতে ক্যান্সার।
লক্ষণ সমূহ-
*প্রস্রাবের অসুবিধা : যেমন প্রস্রাবের পরিমাণ কম বা বেশি হওয়া। প্রস্রাববার বার হওয়া। থেমে থেমে ধীরগতিতে হওয়া, হঠাৎ প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া।প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া
অথবা ব্যথা অনুভব হওয়া, প্রসাবে মাত্রাতিরিক্ত প্রোটিন
বারক্ত আসা। প্রস্রাবে ফেনা আসা বা রং পরিবর্তন হওয়া
* শরীর ফুলে যাওয়াবিশেষ করে মুখ বা চোখের নিচে ফুলে যাওয়া
* কোমরের দুপাশে অথবা তল পেটে ব্যথা হওয়া।
া যখন কিডনি বিকল হয় তখন কিছু বিশেষ বিশেষ উপসর্গ দেখা যেতে পারে-
যেমন : খাওয়ায় অরুচি, বমি বমি ভাব, শারীরিক দুর্বলতা, শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট, শরীর ফ্যাকাশে।
এ ছাড়া কিডনি রোগ নির্ণয়ের জন্য নিয়মিত রক্তচাপ মাপতে হবে। রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা পরীক্ষা করা উচিত।এ ছাড়া Real Function Test অর্থাৎ (১) রক্তে ক্রিয়েটিনিসের মাত্রা, হিমোগ্লোবিন সহ Complete Blood Count (CBC), ইউরিয়া (Urea) টৎরপ অপরফ ইত্যাদি পরীক্ষণ। (২) প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা (Urine R/M/E) যেমন-মাত্রাতিরিক্ত প্রোটিন, গ্লুকোজ কিংবা রক্ত নির্গত হচ্ছে কিনা। (৩)কিডনির
এক্স-রে (X-Ray of hub with Lumbosacral Spine) ইত্যাদি পরীক্ষা করা যেতে পারে।
সূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন

