home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

স্বপ্ন নিয়ে মজার ১২
১৪ অক্টোবর, ১৩
Tagged In:  about dreem  
  Viewed#:   338

পৃথিবীতে কি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে যারা স্বপ্ন দেখেন না! শুধু কি মানুষ, স্বপ্ন দেখে পশুও। মানুষ শুধু স্বপ্ন দেখেই শান্ত হয় না। বাস্তবের সঙ্গে এর মিলও খুঁজতে চেষ্টা করেন অনেকে, অনেকে আবার ভাবতে বসেন কেন এমন স্বপ্ন তিনি দেখলেন!

স্বপ্ন নিয়ে বেশ কিছু মজার তথ্য মনোকথার পাঠকদের জন্য...

১. স্বপ্ন নাকি সাদা কালো হয়। কিন্তু এ ধারণাটা মোটেই ঠিক না। শতকরা মাত্র ১২ ভাগ লোক সাদা-কালো স্বপ্ন দেখেন। বাকিদের স্বপ্নে ধরা দেয় নানা রং। স্বপ্নের আরও একটি ধরন আছে যা সবাই দেখে। যেমন, কেউ স্কুলে যাচ্ছে বা কাজ করছে, কেউ নিপীড়ন থেকে বাঁচার চেষ্টা করছে, পড়ে যাচ্ছে, মৃতব্যক্তিকে স্বপ্নে দেখা, দাঁত পড়ে যাওয়া, আকাশে ওড়া, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া, দুর্ঘটনায় পতিত হওয়া ইত্যাদি।  

২. বিশ্বাস করুন আর নাই করুন আমরা যে স্বপ্ন দেখি তার অধিকাংশই হারিয়ে ফেলি বা ভুলে যাই।কিন্ত‍ু তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় যদি আপনি কোনো স্বপ্ন দেখেন তাহলে তার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রায় সবই আপনার মনে থাকবে। সাধারণত ভোরের স্বপ্নগুলো এমন হয়।

৩. এমন মানুষ খুব কমই আছেন যারা রাতে মাত্র একটা স্বপ্ন দেখেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একজন মানুষ প্রতিরাতে পাঁচ থেকে সাতটি স্বপ্ন দেখেন। কখনো কখনো তা ডজনও ছাড়িয়ে যায়। গবেষণায় বিজ্ঞানীরা ঘুমের পাঁচটি পর্যায় লক্ষ করেছেন এবং প্রতিটি পর্যায়ে একজন ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন স্বপ্ন দেখেন বলে তাতে উল্লেখ আছে।

৪. স্বপ্ন নিয়ে আরেকটি মজার তথ্য হলো- তিন বছরের নিচে কোনো শিশু স্বপ্ন দেখে না। আর তিন থেকে আট বছরের শিশুরা যে স্বপ্ন দেখে তার বেশির ভাগই দুঃস্বপ্ন। তারা এ বয়সে যত দুঃস্বপ্ন দেখে তা তার সারা জীবনে দেখা দুঃস্বপ্নের চেয়েও বেশি।

৫. আপনি কি ভাবছেন যাদের দৃষ্টিশক্তি আছে শুধু তারাই স্বপ্ন দেখেন। আপনার ধারণা মোটেও ঠিক নয়। অন্ধরাও স্বপ্ন দেখেন। যারা জন্মান্ধ নয়, জন্মের পর কোনো কারণে অন্ধ হয়ে গেছেন তাদের স্বপ্ন দৃশ্যযোগ্যই হয়। তবে যারা জন্মান্ধ স্বপ্ন তাদের কাছে দৃশ্য হিসেবে নয় বরং শব্দ-গন্ধ কিংবা স্পর্শযোগ্য অনুভূতি হিসেবে ধরা দেয়।

৬. সবারই কম-বেশি এ ধরনের অনুভূতি হয়। আমাদের অবচেতন মন কখনো কখনো আমাদের এমন কিছু অনুভূতির সম্মুখীন করে যে মনে হবে বিষয়টি বুঝি স্বপ্নে ঘটছে। যদি কোনো মানুষের তৃষ্ণা পায়, তাহলে আমাদের অবচেতন মন এক গ্ল‍াস ভর্তি ঠাণ্ডা জলের কোনো প্রতিকৃতি আমাদের অবচেতন মানসে ফুটিয়ে তুলতেই পারে। আবার এমনও হয় যে স্বপ্নে দেখলেন আপনার খুব পানি তেষ্টা পেয়েছে, ঘুম ভেঙে গেলেও দেখবেন শুকিয়ে আপনার গলা পুরো কাঠ। অথবা খুব পানি তেষ্টা পেয়েছে স্বপ্নে দেখলেন এক গ্লাস ঠাণ্ডা জল আপনার হাতের নাগালে।  

৭. আমাদের অবচেতন মন ইঙ্গিত এবং প্রতীকী ভাষা ব্যবহার করে। তাই একেবারে আক্ষরিক অর্থে বা যৌক্তিকভাবে কিংবা একটি সমৃদ্ধ কাহিনী সূত্র হিসেবে স্বপ্নকে সংযুক্ত করা মোটেও ঠিক হবে না। অবচেতন মন কখনোই কোনো ঘটনার পরিষ্কার চিত্র আমাদের সামনে উপস্থিত করে না। বড়জোর একটি ঘটনার ইঙ্গিত দিতে পারে আপনাকে।

৮. স্বপ্নে আমরা এমন অনেক অদ্ভুত জিনিস দেখি যা আমরা কখনো কল্পনাও করিনি। বিষয়গুলো ব্যক্তি মানুষের ওপর নির্ভর করে। যা আমরা বাস্তবে বা টিভিতে দেখি, কিন্তু যেগুলো ঠিক মনে করতে পারি না। আমাদের অবচেতন মনের কোনো এ কোণায় তা হয়তো জমা থাকে। আর স্বপ্নে এরই প্রতিফলনই দেখতে পাই আমরা।

৯. পাগল আর মানসিকভাবে সমস্যাগ্রস্ত ছাড়া সবাই স্বপ্ন দেখে। কিন্তু নারী-পুরুষের স্বপ্নের ধরন আলাদা। পুরুষের সাধারণত স্বপ্নেও তাদের লিঙ্গের প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু নারীর স্বপ্ন সার্বজনীন।

১০. আমরা আমাদের দেখা স্বপ্নের ৯০ ভাগই ভুলে যাই। যদি পাঁচ মিনিটের ভেতর জেগে উঠি তাহলে আমরা আমাদের স্বপ্নের অর্ধেকও মনে রাখতে পারব না।

যদি ১০ মিনিটের ভেতর হয় তাহলে স্বপ্নের মাত্র ১০ ভাগ আমরা মনে রাখতে পারি। কবি-সাহিত্যিক বা বিজ্ঞানীরাও তাদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বপ্ন দেখেন। এক্ষেত্রে শুধু মাত্র তারাই ভাগ্যবান যারা, ঘুমানোর আগে বিছানার পাশে কাগজ-কলম রাখেন!

১১. আবার নেশাগ্রস্ত মানুষের স্বপ্নেও থাকে ভিন্নতা। যেমন এমজন ধূমপায়ীর কথাই ধরুন না কেন ধূমপায়ীদের কাছে স্বপ্ন আরও গভীর আরও বাস্তব হয়ে ধরা দেয় অধূমপায়ীদের তুলনায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা স্বপ্ন দেখে যে তারা ধূমপান করছে। আর একারণেই তারা এক ধরনের অপরাধ বোধে ভুগতে থাকে।

১২. শুধু মানুষই নয় স্বপ্ন দেখে পশুরাও। পশুদের ওপর পরিচালিত আলাদা গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ ঘুমের সময় স্বপ্ন দেখলে যে কার্যকলাপগুলো করে, স্বপ্ন দেখা অবস্থায় পশুদের মস্তিষ্কের কার্যক্রমও মানুষের মতোই হয়। আপনি যদি লক্ষ করেন তাহলে দেখবেন যে একটি কুকুর যদি ঘুমের মধ্যে তার থাবা নাড়ায় তার অর্থ সে স্বপ্নে দৌড়াচ্ছে। যদি লক্ষ করেন কুকুরটি ঘুমের ভেতর শব্দ করছে তার মানে হলো সে স্বপ্নে কোনো কিছু দেখে ঘেউ ঘেউ শব্দ করছে।


সূত্র - বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: মুঠোফোন নির্ভর জীবন থেকে মুক্তি যে ৭ পথে
Previous Health Tips: স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুলের সাতকাহন

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')