home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের বাবা মায়েদের কেন সাপোর্ট গ্রুপে যোগদান করা উচিৎ?
২১ সেপ্টেম্বর, ১৩
Tagged In:  special child  
  Viewed#:   122

যদি আপনার শিশু বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন হয়ে থাকে তাহলে আপনার সবার আগে উচিৎ এই সকল শিশুদের জন্য কাজ করছে এমন সাপোর্ট গ্রুপে যোগদান করা। সাপোর্ট গ্রুপগুলিতে প্রচুর তথ্য থাকে জা এই সকল শিশুদের বেরে উঠার জন্য অনেক উপকারে আসে।  তাছাড়া এই সকল গ্রুপে যোগদানের ফলে গ্রুপের অন্যান্য বাবামায়েদের সাথে কথা বলে নানা রকম অভিজ্ঞতা শেয়ার করার সুযোগ পাওয়া যায়।

নিম্নে এই সকল গ্রুপে কেন যোগদান করবেন তার কয়েকটি কারন তুলে ধরা হল -

১) স্কুল, শিক্ষক এবং শিক্ষা নিয়ে আলোচনা

সাধারনত একটি নির্দিষ্ট এলাকার মানুষদের নিয়ে এক একটি সাপোর্ট গ্রুপ তৈরি করা উচিৎ। এতে অনেক রকম সুবিধা ভোগ করা যায়। একি এলাকার মানুষ হলে সাধারণত ঐ এলাকার শিশুরা একই স্কুলে যাতায়াত করে। এতে বাবা মাদের শিশুদের শিক্ষা, স্কুল এবং শিক্ষকদের বিষয়ে আলোচনা করতে সুবিধা হয় এবং সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ হয়।

২) আপনি নিজে কি জানেন?

গ্রুপের মানুষদের সাথে আলাপ আলোচনা করে আপনি আরও অনেক রকম তথ্য জানতে পারবেন। কোথায়  ভালো ডাক্তারের দেখা মিল্বে, কোথায় ভালো ডেন্টিস্ট আছেন কিংবা কোথায় গেলে আপনার শিশুকে একটা ভালো হেয়ারকাট দিতে পারবেন - এমন হাজারো বিষয় প্রতিনিয়ত জানার সুযোগ পাবেন। তাছাড়া বাবা মায়েদের সাথে আলোচনা করে জানতে পারবেন - শিশুদের নানা রকম ওষুধ এবং কোন বিশেষ ডায়েট সম্বন্ধে।

৩) কিভাবে অন্যরা সাহায্য পাচ্ছেন?

অনেক রকম সাপোর্ট গ্রুপ সমাজে কাজ করে। কিন্তু কোন গ্রুপের পক্ষে সকল শিশু বা বাবামায়েদের জন্য কাজ করা সম্ভব হয় না। তাই অন্য বাবা মায়েদের সাথে আলাপ করুন। জেনে নিন সাপোর্ট গ্রুপগুলিতে জয়েন করতে কিভাবে শুরু করতে হবে এবং কোথায় আবেদন করতে হবে।

৪) একতাই বল

অনেক সময় আপনার শিশুর জন্য বিশেষভাবে কোন স্কুল বা প্রশিক্ষন কেন্দ্রের নিয়ম পরিবর্তন করা সম্ভব হয় না। এই ক্ষেত্রে সাপোর্ট গ্রুপ গুলির ভুমিকা অনেক। যখন অনেক পরিবার বা একই সাপোর্ট গ্রুপের অনেক সদস্য একই সাথে কোন নিয়ম পরিবর্তনের জন্য আওয়াজ তুলবেন তখন অবশ্যই কর্তৃপক্ষকে বিশেষ শিশুদের সুবিধার্থে নিয়মে পরিবর্তন করতে হবে। 

৫) যোগাযোগ রাখুন অন্য সাপোর্ট গ্রুপগুলিতে

শুধুমাত্র নিজের কমিউনিটিতে কাজ করলেই চলবে না।জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা বাড়াতে অন্য গ্রুপগুলিতেও যোগাযোগ রাখুন। অন্য গ্রুপগুলি কিভাবে একসাথে কাজ করছে এবং সাফল্য লাভ করছে সে সম্বন্ধে সবসময় হালনাগাদ করুন।

৬) রয়েছে শিশুদের মাঝে বন্ধুত্বের সুযোগ

সাপোর্ট গ্রুপে থাকলে আপনি এমন অনেক বাবা মায়েদের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন যাদের শিশুরা হয়ত আপনার শিশুর মত একই চাহিদা সম্পন্ন। এই ক্ষেত্রে আপনি আপনার শিশু এবং অন্য শিশুদের মাঝে বন্ধুত্ব গরে তোলার একটি সুযোগ পাবেন। একই চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে বন্ধুত্ব করানো, তাদের নিয়ে পার্কে খেলতে যাওয়া এরকম অনেক সুবিধাই আপনি আপনার শিশুকে দিতে পারবেন।

৭) শেয়ার করুন অনলাইন জগতে

এখন অনেক বাবা মা - ই বিভিন্ন সাপোর্ট গ্রুপের খোঁজ পাচ্ছেন অনলাইনে বিভিন্ন সোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট থেকে। তাই সবসময় ইন্টারনেটে এরকম ব্লগ এবং সাইটে জয়েন করুন এবং অন্যদের অভিজ্ঞতা জেনে নিন। একই সাথে আপনার নিজের অভিজ্ঞতাও নিয়মিত অন্যদের সাথে শেয়ার করুন।

৮) হবে নিজের বন্ধু

আপনার বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুর জন্য কাজ করতে করতে আপনি খুঁজে পাবেন আপনার মতই এমন অনেক বাবা মা। অনেক সময় যোগাযোগ রাখতে রাখতে এই সকম বাবা মা হয়ে উঠতে আপনার কাছের বন্ধু।

৯) ক্ষতি নেই অন্যকে জানাতে

সাপোর্ট গ্রুপে থেকে যাই শিখবেন কখনোই নিজের জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে অন্যকে জানাতে পিছপা হবেন না। আপনার শেয়ার করা কোন একটি কথা হয়ত অন্য একজনের অনেক উপকারে আস্তে পারে।


সুত্র - friendshipcircle.org

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: সন্তানকে স্তন্যদানরত অবস্থায় নারীরা কি জন্মবিরতিকরণ বড়ি খেতে পারবেন?
Previous Health Tips: ত্বকের জন্য টোনিং

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')