home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

উচ্চ রক্তচাপ নামের এক ‘মহামারি
০২ সেপ্টেম্বর, ১৩
  Viewed#:   145

‘আজ একটু প্রেসার বেড়েছে৷’’ প্রেসার বলতে বোঝায় ব্লাড প্রেসার কিংবারক্তচাপ৷ জার্মানিতে হাই ব্লাড প্রেসারে ভুগছেন, এমন মানুষের সংখ্যা সাড়েতিন কোটি৷ অথচ তাদের অর্ধেকই সে কথা জানেন না৷

প্রত্যেক হৃৎস্পন্দনের সঙ্গে মাপা হয় সিস্টোলিক অর্থাৎ সর্বোচ্চ, এবংডায়াস্টোলিক অর্থাৎ সর্বনিম্ন রক্তচাপ: এই ধরুন ১২০/৮০, যা কিনা আদর্শ৷জার্মানিতে আজকাল যে রোগ নিয়েই ডাক্তারের কাছে যান না কেন, রক্তচাপটা একবারমেপে দেখা হয়, রোগীর অজান্তেই তাঁর হাইপারটেনশন থাকার সম্ভাবনাটা এতইবেশি৷
 
গ্রেড ওয়ান হাইপারটেনশন বলতে ধরা হয়: যদি সিস্টোলিক ১৪০ থেকে ১৫৯, এবংডায়াস্টোলিক ৯০ থেকে ৯৯-এর মধ্যে পড়ে৷ ৫০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে যারা, তাদেরহাইপারটেনশন থাকার সম্ভাবনা দুই-এর মধ্যে এক৷ মুশকিল হয়, যদি বছরত্রিশেকের কারোর – তার নিজের অজান্তেই – ধরা যাক ১৬০/৯০ প্রেসার থাকে৷ ওইবয়সের মানুষদের হাই ব্লাড প্রেসার থাকলেও তারা সুস্থই বোধ করেন৷ বিশ্বস্বাস্থ্য সংগঠনের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী হাই ব্লাড প্রেসার শুরু হয়১৪০/৯০ থেকে৷

সিস্টোলিককে যদি ধমনিতে রক্তচাপের সাধারণ পর্যায় বলে ধরে নেয়া যায়, তাহলেমনে রাখতে হবে, ধমনিগুলো নমনীয় বলেই সেগুলো রক্তের চাপ বাড়া অথবা কমারসঙ্গে সঙ্গে তারা নিজেরাও প্রসারিত কিংবা সংকুচিত হতে পারে৷ কিন্তু রক্তচাপএকটানা উচ্চ থাকলে ধমনিগুলো ঠিক এই বৈশিষ্ট্যই হারিয়ে ফেলে৷ সেই সঙ্গেথাকে ধমনির ভিতরে এক ধরনের মোমের মতো পদার্থ জমা হওয়া, যাকে বলে ‘প্লাক'৷ এসব কারণে ধমনি থেকে হৃৎপিণ্ডে অক্সিজেনযুক্ত রক্তের প্রবাহ বন্ধ হয়ে গিয়েহার্ট অ্যাটাকের ঘটনা ঘটতে পারে৷

হাই ব্লাড প্রেসার জেনেটিক, অর্থাৎ বংশগত কারণে হতে পারে৷ সঙ্গে থাকে ‘স্ট্রেস' বা শারীরিক কিংবা মানসিক চাপ, তা সে কর্মক্ষেত্রেই হোক আরপারিবারিক কিংবা ব্যক্তিগত জীবনেই হোক৷ ব্যায়াম-হাঁটা-চলাফেরা না করে আয়াসীজীবন, নিয়মিত মদ্যপান, খাওয়ার পাতে বড় বেশি নুন খাওয়া – এ সবই উচ্চরক্তচাপ ঘটাতে পারে৷

হাই ব্লাড প্রেসার আজ বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলি ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে, উপসাগরীয় দেশগুলিতে, চীন বা ভারতে আরো বেশি করে দেখা দিচ্ছে৷ সেক্ষেত্রেব্লাড প্রেসারের রোগী – এবং বাকিরা, যাদের রোগী হতে বাকি আছে – তারা কিকরতে পারেন? নুন খাওয়া কমান! হাঁটাহাঁটি, চলাফেরা করুন! ওজন কমান!

আসল কথা বোধহয় এই: সুস্থভাবে বাঁচলে স্বাস্থ্য ভালো থাকবে না কেন? সূত্র: এএফপি।

সূত্র -natunbarta.com

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ঘরকন্নার ১০ টিপস
Previous Health Tips:

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')