home top banner

Health Tip

আদর হবে একই রকম
17 July,13
  Viewed#:   132

ওরা দুই ভাই। বড়টার নাম রিয়াল, ছোটটা রিয়াদ। দুজন একই স্কুলে পড়ে। ক্লাস অবশ্য ভিন্ন। একজন পঞ্চম,



অন্যজন তৃতীয় শ্রেণীতে। দুজনের মধ্যে খুনসুটি লেগেই থাকে। আবার ভাব হতেও সময় লাগে না। কিন্তুযখন



তাদের মধ্যে কোনো কিছুনিয়ে তুমুল বেধে যায়, মা অবধারিতভাবে ছোটটির পক্ষ নেন। দোষ থাকুক না-



থাকুক, প্রতিবারই নাকাল হতে হয় রিয়ালের। তখন ছোট ভাইয়ের ওপর খুব রাগ হয় ওর। ভাবে, ও না থাকলে কত



ভালো হতো।



মা-বাবারা নিজেদের অজান্তে শিশুদের মধ্যে যে বৈষম্য তৈরি করেন, এর কি কোনো প্রভাব থাকে ভবিষ্যৎ



জীবনে? এ নিয়ে কথা বলেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সের পেডিয়াট্রিক নিউরোলজিস্ট ও



সহযোগী অধ্যাপক নারায়ণ সাহার সঙ্গে। তিনি বললেন, ‘একই বাড়ির দুটি শিশুকে আলাদা করে দেখা যাবে ন।



এতে তাদের শরীরিক গঠনগত কোনো পরিবর্তন না হলেও, মনোজগতে ব্যাপক পরিবর্তন আসতে পারে।



শিশুর মনের মধ্যে ঈর্ষা কাজ করে। এর প্রভাব থাকে ভবিষ্যৎ জীবনেও।’



অনেক সময় দেখা যায়, খাওয়ার সময় ছোট ছেলেটি কিংবা মেয়েটির আলাদা যত্ন নেওয়া হয়। তার পাতে



ওঠে বড় মাছের টুকরা অথবা বড় রোস্টটি। আবার খেলনার সংগ্রহে সব সময়ই এগিয়ে থাকে ছোট শিশুটি।



জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক মেখলা সরকার বলেন, ‘মা-বাবার বৈষম্যের কারণে



বড় শিশুটির মেজাজ খিটখিটে হয়ে যেতে পারে। বিষণ্নতায় ভুগতে পারে শিশুটি। পড়ালেখায় হয়ে উঠতে পারে



অমনোযোগী। হিংসাত্মক মনোভাব তৈরি হওয়ার কারণে বড়দের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা কমে যায়।’



এ তোগেল বড় শিশুটির ক্ষেত্রে। কিন্তুছোট শিশুটিরও ঝক্কি পোহাতে হয় এ জন্য। মা-বাবা বাইরে থাকলে



ছোট শিশুটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে পারে। আবার বড়দের প্রতি যে সম্মান দেখাতে হয়, সেটা আর তার রপ্ত



করা হয়ে ওঠে না। শিশুজেদিও হয়ে ওঠে দিন দিন।



মা-বাবাকে প্রথমে বুঝতে হবে শিশুর মন। দ্বিতীয় সন্তান জন্ম হওয়ার আগে প্রথম সন্তানকে মানসিকভাবে



তৈরি করতে হবে। তাকে বোঝাতে হবে আসছে নতুন শিশু। খুব ছোট সেই শিশুকে সবাই মিলেই বড় করতে হবে।



বড় শিশুটির মধ্যে জাগাতে হবে দায়িত্ববোধ। নতুন ভাই বা বোন জন্ম নিলে বড় শিশুকে বোঝাতে হবে, এটি



তারই ভাই বোন। যাঁরা নতুন শিশুকে দেখতে আসবেন, তাঁদের উচিত বড় ও ছোট দুজনের জন্যই উপহার আনা।



দুজনকেই সমানভাবে ভালোবাসতে হবে।



সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: শসার কথকতা
Previous Health Tips: মন খারাপ, নাকি বিষণ্নতা

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')