home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

নীরব ঘাতক উচ্চ রক্তচাপ
০৫ মে, ১৪
Tagged In:  blood pressure  high blood pressure  
  Viewed#:   185

check-blood-pressureআপনার রক্তচাপ কত তা জেনে নেওয়া স্বাস্থ্য সচেতনতার একটি অংশ, বিশেষ করে যদি আপনার বয়স ৩০ বছরের অধিক হয়ে থাকে। রক্তচাপ নির্ণয়ের জন্য অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা রক্তচাপ পরীক্ষা করে একাধিকবার উচ্চ রক্তচাপ নির্ণিত হলে আপনি হাই প্রেসার/উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন বলে ধরে নিতে হবে। হাই প্রেসার সাধারণভাবে নীরব ব্যাধি হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। কারণ অধিকাংশ হাই প্রেসারের রোগীর কোনোরূপ শারীরিক উপসর্গ থাকে না বা রোগী কোনোরূপ অসুবিধা বোধ করেন না, বিশেষ করে প্রাথমিক অবস্থায়। কোনোরূপ শারীরিক কষ্ট বা অসুবিধা ছাড়াই আপনি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে থাকবেন কিন্তু ভেতরে ভেতরে উচ্চ রক্তচাপ আপনার শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করতে থাকবে যা আপনার অনুভূতির বাইরে থাকবে। তাই তো একে বলা হয় নীরব ঘাতক। যখন ওইসব অঙ্গ মারাত্মক পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্থ হবে তখন আপনার শরীরে বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ পরিলক্ষিত হবে। হার্ট, কিডনি, মস্তিষ্ক, চোখ ও রক্তনালী উচ্চ রক্তচাপের ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হতে থাকে। তবে প্রাথমিক অবস্থা থেকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাই প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখলে ওইসব অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত ঔষধ গ্রহণের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভাস গড়ে তোলা, জীবনযাপনে কিছু কিছু প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান মেনে চলা, নিয়ন্ত্রিতভাবে কায়িক শ্রমের বা হালকা ব্যায়ামের অভ্যাস রপ্ত করা অত্যন্ত জরুরি। আমরা অনেককেই দেখি তার জীবনের কোনো এক সময়ে উচ্চ রক্তচাপ নির্ণিত হওয়ায় চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করে ঔষধ সেবন শুরু করেছেন এবং তা বছরকে বছর চালিয়ে যাচ্ছেন। কালেভদ্রে কখনো অসুস্থতা বোধ করলে প্রেসার চেক করে নিজেই ওই ঔষধের মাত্রা কম অথবা বেশি করে গ্রহণ করতে থাকেন। এরূপ অবস্থায় চিকিৎসা গ্রহণ না করারই শামিল। কারণ চিকিৎসা গ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হল রক্তচাপ সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রেখে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা। তাই নিয়মিতভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করে এ দুটি কাজ সুচারুরূপে সম্পন্ন করাকে সু-চিকিৎসা বলা যাবে। সাধারণভাবে হাই প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ নীরবেই বিদ্যমান থেকে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। তবে কারো কারো মেজাজ খিটমিটে ভাব, শারীরিক অসুস্থ্যতা অনুভব, চিন্তাভাবনার অস্বাভাবিকতা, মাথা ঘোরা, মেয়েদের বেলায় বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া, প্রায়ই মাথা ব্যথা, ঘাড় ব্যথা অনুভব করা এবং আবার ঠিক হয়ে যাওয়া, বুকে চাপ বা ব্যথা অনুভূত হওয়া। বিশেষ করে পরিশ্রমকালীন সময়ে বুক ধড়ফড় করা, মৃদু শ্বাসকষ্ট হওয়া, মারাত্দক অবস্থা হিসেবে হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাওয়া, ষ্ট্রোক হওয়া, প্যারালাইসিস হওয়া, কিডনি ফেইলুরের লক্ষণ হিসেবে চরম রক্তশূন্যতা দেখা দেওয়া ইত্যাদি ।

সূত্র  বাংলাদেশ প্রতিদিন

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: চোখের নিচের কালি দূর করতে কিছু ঘরোয়া টিপস
Previous Health Tips: দাঁত ও মাথাব্যথার সম্পর্ক

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')