home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

অফিসেই এক্সারসাইজ
২৪ জানুয়ারী, ১৪
Tagged In:  office exercised  exercise at work  
  Viewed#:   184

Office-exercisedলিফট-এর বদলে সিঁড়ি দিয়ে ওঠা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো৷ কথাটা তো সকলেই জানে৷ কিন্ত্ত মানে কি? আসলে অনেক সময় উপায় থাকে না? কিন্ত্ত স্থানুবৎ থাকলে তো শরীরের দফারফা! তাহলে উপায়?

প্রত্যেকটা দেশেই মানুষের একটা গড়পড়তা আয়ু থাকে৷ সেই গড়পড়তা আয়ুর আগে মৃত্যুর বিষয়টা নিয়ে বিশ্বের তাবড় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বিস্তর গবেষণা চালাচ্ছেন৷ আর এই 'প্রিম্যাচিওর মর্টালিটি' নেপথ্যে যে প্রধান চারটে কারণ রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হল 'ইনাক্টিভিটি' বা শারীরিকভাবে অকেজো হয়ে থাকা৷ হ্যাঁ, ক্যানসারের সঙ্গে এই অকেজো হওয়ার ব্যাপারটার দিকেও আঙুল তুলেছে খোদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষা৷ গবেষকরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, কায়িক পরিশ্রমের প্রতি অনীহা আমাদের তাড়াতাড়ি মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে৷ কিন্ত্ত, কথা হল, আজকের দিনে, মানে এই ইঁদুর দৌড়ের যুগে আলাদা করে স্বাস্থ্যরক্ষার জন্য দৌড়ঝাঁপ করার অবকাশ আছে কি? থাকলেও কতটুকু?

এটা ঠিকই, আমরা সবাই জানি দিনের মধ্যে কিছুটা সময় কায়িক পরিশ্রম বেশ জরুরি৷ যেমন জানি, লিফটে চেপে হুস করে অফিসের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাওয়ার বদলে সিঁড়ি ভেঙে ওপরে ওঠা শরীরের পক্ষে ভালো৷ কিন্ত্ত, এই সব জানা কথা সব সময় মানা হয় কি? না৷ তাছাড়া কারও অফিস যদি ১৪তলায় হয়, তাহলে সেটায় উঠতেই তো সারাদিনের কাজের এনার্জি ফুরুত্ হয়ে যাওয়ার চান্স ষোলো আনা৷ সুতরাং, বাস্তবের মাটিতে দাঁড়িয়েই এমন কিছু পদক্ষেপ করতে হবে, যাতে শরীরটিও তরতাজা থাকলো, আবার নিজের ওপর বাড়তি কায়িক পরিশ্রমের বোঝাও চাপানো হল না৷ আসুন, আজ এমনই কয়েকটা উপায়ের কথা আলোচনা করি আমরা৷

গবেষকরা বলছেন সারাদিনে দশ হাজার স্টেপ হাঁটা, স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য জরুরি৷ এটা পড়ে যদি কেউ ভাবেন মর্নিং ওয়াক করে বা ট্রেডমিলে কেল্লা ফতে করে দেবেন, তাহলে তো ঠিকই আছে৷ কিন্তু তা যদি না হয়? আপনি সারাদিনে একটা বড় সময় অফিসে কাটান৷ সুতরাং অফিসের সময়টা কাজে লাগান৷ না-না, লিফট ব্যবহার বাদ দিতে বলছি না৷ চেষ্টা করুন অফিসের মধ্যেই যতটা সম্ভব হাঁটাহাঁটির ব্যাপারটা সেরে ফেলতে৷ যেমন ধরুন, আপনার কমপিউটার থেকে কোনো প্রিন্ট দিলেন৷ প্রিন্টারটা দূরে আছে৷ নিজে গিয়ে নিয়ে আসুন৷ কাউকে পাঠিয়ে প্রিন্ট আনাবেন না৷

একইভাবে কোনো সহকর্মীর সঙ্গে কথা বলা দরকার৷ আপনি এক্সটেনশনে ফোন করতে পারেন, বা এসএমএস করতে পারেন৷ হোয়াটস্অ্যাপ বা বিবিএম করার বদলে উঠে চলে যান কলিগের কাছে৷ টুকটুক করে হেঁটে তার কিউবিকলে গিয়ে কথা বলুন, আবার চলে আসুন৷

কফি খেতে ইচ্ছে হচ্ছে? প্যান্ট্রিতে ফোন করলেই কফি হাজির হয়ে যাবে জানি৷ উঁহু, নিজে যান৷ এতেও তো বেশ কিছুটা হাঁটা হবে৷ ধরে নিলাম, অফিসে আপনি বার পাঁচেক চা-কফি খান৷ সবটা যোগ করুন, আটশো কিংবা হাজার খানেক স্টেপ যদি এতে হয়, মন্দ কী!

কোনো কোনো দিন হয়তো লাঞ্চ আনা হয়নি বাড়ি থেকে৷ অফিসের কাছের রেস্তোরাঁয় তখন ফোন করে খাবার আনিয়ে নেন৷ নেক্সট টাইম ফোন করার আগে, একবার ভাবুন৷ আপনার সামনে পদচারণার একটা সুবর্ণ সুযোগ হাজির৷ বসকে বলে হাতে একটু সময় নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন অফিস থেকে৷ কাছের রেস্তোরাঁয় হেঁটে চলে যান৷ টিফিন সেরে নিন৷

অফিসে একবার ঢুকলাম৷ আসনে জাঁকিয়ে বসলাম৷ তারপর ঘড়ি মিলিয়ে একেবারে ছুটির সময় উঠলাম-এমনটা করলে মুশকিল৷ মাঝেমধ্যে উঠুন৷ কোন কলিগের সঙ্গে অল্প কথা বলুন৷ এই কথা বলার সময়টা দাঁড়িয়ে থাকবেন না৷ হাঁটুন৷ আপনার সঙ্গীকেও বলুন হাঁটতে৷ একচক্কর করার সঙ্গে যেমন একটু গপ্প করাও হলো, তেমন খানিকটা তো হাঁটাও হল৷

ধরুন কোনো প্রোজেক্ট করছেন৷ জনা তিন-চারজন মিলে প্ল্যান করতে হবে৷ মানে, ছোটখাটো মিটিং আর কী! এই মিটিং-এর পেপারওয়ার্কের অংশটুকু বসে করুন৷ বাকিটা করিডরে বা ছাদে, কিংবা টেরেসে হাঁটতে-হাঁটতেই সেরে ফেলা যায়৷

সূত্র - natunbarta.com

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: প্যারাসিটামল থেকে সাবধান!!!
Previous Health Tips: চুল পড়া নিয়ে চিন্তিত!

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')