home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

স্বল্প ওষুধে রোগ নিয়ন্ত্রণ
১৩ জানুয়ারী, ১৪
Tagged In:  medicine care  disease control  
  Viewed#:   156

medication-for-Disease-Controlকখন হার্ট অ্যাটাক হবে কেউ কি তা জানে? কেন অপেক্ষা করবেন হার্ট অ্যাটাকের, যখন তা নিবারণ করতে পারেন?

যে কোনো হাসপাতালে যান দেখবেন সেই একই চিকিৎসাধারা। বাইপাস কিংবা এনজিওপ্লাস্টির মাধ্যমে হার্টের চিকিৎসা। তাৎক্ষণিকভাবে জীবন বাঁচানোর জন্য মানুষ অপারেশনের শরণাপন্ন হয়। কিন্তু কথা হলো কেন আমরা এ ইমারজেন্সির কাছে নিজেকে সঁপে দেব? কেন আমরা নিজের দেহ সম্পর্কে অজ্ঞ থাকব। বিষয়টা অনেকটা এ রকম যে আপনি গাড়ি চালাচ্ছেন, কিন্তু হঠাৎ ইঞ্জিন বিকল হয়ে যেতে পারে সে ব্যাপারে আপনার কোনো উদ্বেগই নেই! চলার পথ মসৃণ রাখতে হলে ইঞ্জিনের সুরক্ষা করতে হবে। ঠিক একইভাবে আমাদের দেহ একটি মূল্যবান ও বিস্ময়কর মেশিন বা যন্ত্র যা সৃষ্টি করেছেন স্রষ্টা। এ দেহযন্ত্রকে সচল রাখতে হলে বিশেষ যত্ন্ন নিতে হয়, যে কোনো ধরনের অস্বাভাবিকতা সম্পর্কে প্রাক-তত্ত্বাবধান করতে হয়।

দুর্ভাগ্যজনক হলো যে বড় হাসপাতালগুলোর রীতিমাফিক টেস্ট যেমন লিপিড প্রোফাইল, স্ট্রেস টেস্ট এবং ২ডি ইকো শতকরা ৫০ ভাগ ক্ষেত্রেই সম্ভাব্য রোগ সম্পর্কে কোনো প্রমাণ হাজির করে না। এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা রোগের অগ্রসর পর্যায় সম্পর্কে কোনো কিছুই প্রকাশ করে না। ফলে ডাক্তার অন্ধকারে থাকেন। বেশির ভাগ ডাক্তারই রোগ নিরাময়ের জন্য ব্যবস্থাপত্র দেন। অনেক ক্ষেত্রেই চিকিৎসক হৃদযন্ত্রের উপাদান সম্পর্কে আলোকপাত বা দিকনির্দেশনা দান করেন না। চিকিৎসা প্রযুক্তির উন্নতির যুগে হার্টের রোগীর সংখ্যা ক্রমে বেড়ে চলেছে।

এ রকম একটা পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে হলিস্টিক হেলথ কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি মূলত রোগ প্রতিকার ও প্রতিরোধের সেন্টার। স্বল্প ওষুধ সেবনের মাধ্যমে হার্টের আটারিতে বস্নকেজ অথচ রোগী অপারেশনে ভয় পায় বা অপারেশনের জন্য অনুপযুক্ত যেমন অধিক বয়স, শারীরিক অক্ষমতা, হার্টের পাম্পিং ক্ষমতা অনেক কম, বাইপাস করার কিছু দিনের মধ্যেই পুনরায় বস্নকেজ হয়েছে বা স্টান্টিং করতে ব্যর্থ ও কয়েকটি ব্যাধির রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হয়। এসব রোগের মধ্যে রয়েছে রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, টেনশন ও মাইগ্রেন। আজকাল অনেকেরই হেলথ পলিসি আছে, হাসপাতালের খরচ জোগায় ইনশিওরেন্স কোম্পানি। কিন্তু শরীরের যে ক্ষতি হয়ে যায় তার পূরণ কীভাবে হবে? মোট তিন ভাগের এক ভাগ হৃদরোগীর ক্ষেত্রেই হার্ট অ্যাটাকের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো প্রকাশ পায় যে তার হৃদরোগ রয়েছে।

শতকরা ৩৫ ভাগ রোগীর হার্ট অ্যাটাকের মাধ্যমে হঠাৎ করেই মৃত্যু হয়। আধুনিক চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষমতাও নেই বহু মানুষের। বুকের অস্বস্তি যাদের রয়েছে তাদের মধ্যে হৃদরোগের লক্ষণ শনাক্ত করা যায় মাত্র ৩০ ভাগ রোগীর ক্ষেত্রে। শতকরা ৭০ ভাগ রোগীর ক্ষেত্রেই নিঃশব্দে বেড়ে ওঠে এ রোগ। তাই প্রথম অবস্থাতেই এ রোগ শনাক্ত করাই হলো হৃদরোগ মুক্তির একমাত্র উপায়। পরম সৌভাগ্যের বিষয় হলো আশি ভাগ হার্ট অ্যাটাকই প্রতিরোধ করা সম্ভব প্রশিক্ষিত ও আলোকিত হওয়ার মাধ্যমে। এটা সত্যিই ভীষণ দুঃখজনক যে আশি ভাগ হৃদরোগীর জীবন রক্ষায় আমরা ব্যর্থ হচ্ছি শুধু প্রতিরোধ বিষয়ে উদাসীনতার কারণে।

হলিস্টিক হেলথ কেয়ার সেন্টার আসলে একটি পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা পদ্ধতি। এর পদ্ধতির মধ্যে রয়েছে : ডায়েট ম্যানেজমেন্ট, স্ট্রেস ফ্রি টেকনিক, মেডিটেশন, যোগব্যায়াম, প্রাণায়াম, নিউরোবিক, আকুপ্রেসার ও ইসিপি। বিশ্বে সাড়াজাগানো ইয়োগা ও প্রাণায়াম বিশেষজ্ঞ রামদেবজির মেথড, প্রখ্যাত আমেরিকান হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. ডিন অর্নিশের রিভার্সিং হার্ট ডিজিজ মেথড, ভারতের হেলদি হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট ডা. সতীশ গুপ্তের করোনারি রিগ্রেশন পদ্ধতি, যার মাধ্যমে ১৫ হাজার হৃদরোগী সুস্থ হয়েছেন এবং গিনেস রেকর্ডধারী বি কে চন্দ্রশেখরের মেমোরি পাওয়ার টেকনিক_ সব মেথড অনুসরণ করা হয় এ হলিস্টক হেলথ কেয়ার সেন্টারে।

সূত্র - দৈনিক যায়যায়দিন

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: যকৃতেও ফোড়া হয়
Previous Health Tips: প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখুন

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')