home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখুন
১৩ জানুয়ারী, ১৪
Tagged In:  blood pressure  high blood pressure  
  Viewed#:   265

control-your-pressure২৮-এর যুবক৷ কথা নেই, বার্তা নেই হঠাত্ শুরু হল মারাত্মক মাথাব্যথা৷ সঙ্গে বমি৷ বদহজম ভেবে খেলেন একটা বমির ওষুধ৷ মাথাব্যথা কমাতে প্যারাসিটামল৷ কিন্তু সমস্যা কমল তো না-ই, বরং বাড়তে লাগল উত্তরোত্তর৷ ফলে ডাক্তার ডাকা হল বাড়িতে৷ তিনি এসে আর দেরি না করে তাকে পাঠিয়ে দিলেন হাসপাতালে৷

এমারজেন্সিতে পৌঁছোনোমাত্র শুরু হয়ে গেল হইচই৷ ডাক্তাররা জানালেন হাইপারটেনসিভ এমারজেন্সি হয়েছে৷ ২২০/১২০ রক্তচাপে ওই রকম মাথাব্যথা মানে ঘোরতর চিন্তার কথা৷ ততক্ষণে যুবকের নড়াচড়া প্রায় বন্ধ৷ প্রচণ্ড ব্যথা সত্ত্বেও তার এই চুপ করে যাওয়া আতঙ্ক ছড়ালো সবার মনে৷ এরই মাঝে ডাক্তার পাঠালেন ব্রেনের সিটি স্ক্যান করতে৷ এবং যা আশঙ্কা করা গিয়েছিল, তাই হলো৷ রিপোর্ট বলল, মাথায় সম্ভবত হেমারেজ হয়েছে৷ রক্তচাপ তখন ২১০/১০০৷

ইনটেনসিভ থেরাপি ইউনিটে শুরু হলো রক্তচাপ কমানোর চিকিত্সা৷ সঙ্গে অন্যান্য আনুসঙ্গিক৷ রক্তচাপ কমে গেল দ্রুতই৷ তারপর একদিন-দু-দিনে একটু একটু করে সচল হতে শুরু করল হাত পা৷ স্বস্তির শ্বাস ফেললেন ডাক্তার, মাথায় জমা রক্ত মিলিয়ে যেতে শুরু করেছে৷ এবং খুব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল বলে নার্ভের ক্ষতিও বিশেষ হয়নি৷ ১০ দিনে ছুটি হয়ে বাড়ি গেলেন যুবক৷ আর আমাদের মনে জাগল অসংখ্য প্রশ্ন৷ বিস্ময়৷

প্রশ্নের মেলা
হ্যাঁ, মানছি, উচ্চ রক্তচাপের পরম্পরা ছিল যুবকের, বাবা-মা দু-জনই হাইপ্রেশারের রোগী৷ কিন্তু তাদের রোগ হয়েছিল ৫০ পার করে৷ তার বেলায় ২৮-এ? আর তার প্রথম প্রেজেন্টেশাইন স্ট্রোক? তবে কি স্ট্রেস আর সিগারেটই কালপ্রিট? তবে কি প্রতিপদের টেনশন বিপদকে ত্বরান্বিত করেছে? নাকি ভালোমন্দ খেয়ে শরীরে যে মেদের প্রলেপ পড়েছিল, সেই ঘটিয়েছে অঘটন? বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, 'এই ধরণের পাইপ্রেসার, যাকে প্রাইমারি হাইপারটেনশন বলে, মধ্যবয়সীদেরই মোটামুটি একচেটিয়া ছিল৷ কিন্ত্ত আজকাল দ্রুতগতিতে জীবনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ২০-৪০ বছর বয়সেও এর প্রকোপ বাড়ছে৷ হাইপ্রেশার হতে গেলে যা যা লাগে, তার প্রত্যেকটিই যুবকটির ছিল৷ কাজেই ওর যে সমস্যা হবে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই৷ তবে কপাল খারাপ বলে একেবারে স্ট্রোকের মাধ্যমে রোগটি সামনে এসেছে৷'

প্রেশার কেন বাড়ে?
বাবা-মা দু-জনের হাই প্রেশার থাকলে সন্তানের হওয়ার আশঙ্কা ৬৫-৭০ শতাংশ৷ একজনের থাকলে ৩০-৪০ শতাংশ৷

বংশে হাইপ্রেশার থাকলে ওবেসিটি, ধূমপান, স্ট্রেস, ভুলভাল খাওয়া, শুয়ে-বসে থাকার অভ্যেস থেকে রোগের সূত্রপাত হতে পারে৷

হাইপ্রেশারে আক্রান্ত মানুষের মধ্যে শতকরা ৫-৬ জনের রক্তচাপ বাড়ে কিছু অসুখে৷ যেমন কিডনি বা এন্ডোক্রিন গ্ল্যান্ডের অসুখ, হাইপার ক্যালসিমিয়া, পরফাইরিয়া, কোয়ার্কটেশন অফ এওরটা ইত্যাদি৷

কিছু মহিলার প্রেশার বাড়ে গর্ভাবস্থায়৷

হাইপ্রেশার ঠেকাতে
ওজন কমান৷ ছোট বয়সে ওজন বেড়ে গেলে সমস্যা বেশি৷

ডায়াবেটিস থাকলে প্রেশার বাড়ার আশঙ্কা প্রতি পদে৷ কাজেই সুগার বাড়লে তাকে কন্ট্রোলে রাখার চেষ্টা করুন৷

পরিবারে হাইপ্রেশার থাকলে কম বয়স থেকেই পাতে কাঁচা নুন খাবেন না৷ রান্নায় কম নুন দিন৷ নোনতা খাবার কম খান৷

ধূমপান করবেন না৷

টেনশন কমাতে যোগা, মেডিটেশন, রিল্যাক্সেশন এক্সারসাইজ করুন৷

বাচ্চাদের কিডনির অসুখ হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিত্সা করে তাকে সারিয়ে ফেলুন৷

ঘন ঘন প্রস্রাবে সংক্রমণ হলে তার চিকিৎসা করান৷

নিয়মিত হালকা কিছু ব্যায়াম, যেমন ওয়াকিং, সাঁতার, জগিং, সাইক্লিং ইত্যাদি করুন৷

প্রেশার কত হলে তা হাই
২০-৪০ বছর বয়সী মানুষের রক্তচাপ ১৪০/৯০-এর বেশি হলে তার উচ্চ রক্তচাপ হয়েছে বলা হয়৷ প্রেশার ১৪০/৯০ থেকে ১৫৯/১০৪-এর মধ্যে হলে তাকে বলে মৃদু উচ্চ রক্তচাপ৷ ১৬০/১০৫-১৯৯/১১৪ হলে মাঝারি এবং ২০০/১১৫ হলে মারাত্মক৷ গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে ১২০/৮৫-এর উপরে উঠলেই তা হাই৷

প্রেশার মাপার নিয়ম
হাইপ্রেশারের তকমা লাগানোর আগে কম করে তিন বার রক্তচাপ মেপে দেখা হয়৷ খেয়াল রাখা হয় প্রেশার কাফ যেন রোগীর হাতে ঠিকঠাক চাপ সৃষ্টি করে৷ একই মেশিনে দিনের বিভিন্ন সময়ে বা বিভিন্ন দিনে প্রেশার মাপা হয়৷ ভালো করে বিশ্রাম নেওয়ার পর শুইয়ে মেপে, তার পর বসিয়ে মাপা হয়৷ উন্নত দেশে চিকিত্সা শুরু করার আগে ৪ রকম সেটিংয়ে প্রেশার মেপে দেখার নিয়ম৷

১) ক্লিনিকে

২) বাড়িতে

৩) মেশিন লাগিয়ে ২৪ বা ৪৮ ঘণ্টা ধরে প্রেশার মেপে, যাকে বলে অ্যাম্বুলেটরি ব্লাড প্রেশার মনিটরিং

৪) প্রয়োজনে হার্টের মূল ধমনি, অ্যাওরটা-র প্রেশার কত আছে তাও মাপা হয়৷

এতভাবে মাপার কারণ, দিনের বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন মুডে মানুষের প্রেশার আলাদা হয়৷ ডাক্তারের চেম্বারে প্রেশার যত পাওয়া যায়, বাড়িতে হালকা মুডে মাপলে তার চেয়ে অনেক কম হতে পারে৷ ভোর ৬টায় যে প্রেশার থাকে দুপুর ১২টায় থাকে তার চেয়ে অনেক কম৷ সেই প্রেশার আবার বাড়তে বাড়তে রাত ১১টা-১২টার দিকে অনেক বেড়ে আবার কমতে শুরু করে৷ ভোর ৪-৬টায় আবার বেড়ে যায়৷ এই জন্যই অধিকাংশ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক হয় ভোর রাতে, প্রেশার আচমকা অনেকটা বেড়ে যাওয়ার জন্য৷ তরঙ্গের মতো প্রেশারের এই বাড়া-কমাকে বলে ডারনাল ভেরিয়েশন৷ প্রেশারের রোগীদের ক্ষেত্রে যা অনেক সময়ই বিপদ বয়ে আনে৷ অ্যাম্বুলেটরি ব্লাড প্রেশার মনিটরিং করলে একে ধরে ব্যবস্থা নেওয়া যায়৷

আমাদের দেশে সব প্রেশারের রোগীদের ক্ষেত্রেই যে এত কিছু করা হয় তা নয়৷ ক্লিনিকে মেপেই সচরাচর চিকিৎসা হয়৷ তবে বর্ডার লাইন হাইপ্রেশার থাকলে, ১৩৫-৪০/৮৫-৯০, অ্যাম্বুলেটরি ব্লাড প্রেশার মনিটরিং করা হয়৷

উপসর্গ
অনেক সময় বোঝা যায় না৷ অন্য কারণে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে জানা যায়৷ মূলত এই কারণেই যত মানুষ হাইপ্রেশারে ভোগেন, তার মধ্যে কম করে ৫০ শতাংশ কোনও দিনই জানতে পারেন না যে তাদের সমস্যা আছে৷ স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাক হওয়ার আগে পর্যন্ত রোগ ধরা পড়ে না৷ কিডনিও তলে তলে খারাপ হতে শুরু করে৷ ভাগ্যবানদের কিছু উপসর্গ হয়, যা রক্তচাপ বাড়া ছাড়া অন্য কারণেও হতে পারে৷ যেমন, ১) মাথাব্যথা, বিশেষ করে মাথার পিছনে৷ সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ব্যথা শুরু হয়৷ দু-চার ঘণ্টা পরে কমে৷ ২) মাথাঘোরা, ৩) বুক ধড়ফড় ৪) মনোযোগের অভাব, ৫) ক্লান্তি, ৬) হাঁপ ধরা, ৭) মাংসপেশির দুর্বসতা, ৮) পা ফোলা, ৯) বুকব্যথা, ১০) নাক দিয়ে রক্ত৷

চিকিৎসা
মাঝারি এবং মারাত্মক উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খেতে হয় সঙ্গে জীবনযাত্রার নিয়ন্ত্রণ৷ মৃদু উচ্চ রক্তচাপে দ্বিমত আছে৷ কিছুক্ষেত্রে ওষুধ লাগে না৷ নিয়ম মেনে চললেই অবস্থা আয়ত্তে আসে৷ ৫-৬ রকম ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা হয়৷ যেমন-

১) ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার, এসিই ইনহিবিটার, এআরবি এবং ডাইইউরেটিক দেয়া যায় যেকোনো ধরণের হাইপ্রেশারেই৷ তবে কমবয়সীদের ক্ষেত্রে এসিই ইনহিবিটার ও এআরবি ভালো কাজ করে বয়ষ্কদের ক্ষেত্রে ভালো কাজ হয় ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার এবং ডাইইউরেটিক৷

২) বিটাব্লকার দেয়া, যাদের প্রেশারের সঙ্গে ইস্কিমিয়া ও নাড়ির ছন্দে কিছুটা গোলমাল আছে৷

৩) বয়স্ক মানুষের যদি ডায়াবেটিস, স্ট্রোক, হার্ট ফেলিওর, হালকা কিডনির অসুখ থাকে এসিই ইনহিবিটার এবং এআরবি জাতীয় ওষুধ ভালো কাজ করে৷ গর্ভবস্থায় এই ওষুধ দেওয়া যায় না৷

৪) রেজিস্ট্যান্ট ব্লাড প্রেশারে অন্য ওষুধের সঙ্গে আলফা ব্লকার বা অ্যালডোস্টেরন অ্যান্টাগনিস্ট দিলে ভালো কাজ হয়৷ বিটা ব্লকারও দেয়া হয়৷ তবে সাধারণভাবে এই ওষুধ ইস্কিমিয়া থাকলেই দেওয়া হয় বেশি৷ হাইপ্রেশারের সঙ্গে হার্ট ফেলিওর থাকলে অ্যালডোস্টেরন অ্যান্টাগনিস্ট ভালো কাজ করে৷

৫) মিথাইল ডোপা দেওয়া হয় প্রস্টেট ও কিডনির সমস্যা থাকলে, গর্ভাবস্থায় ও আয়ত্ত্বে আনা যাচ্ছে না এমন ব্লাড প্রেশারে৷

জীবনযাপনের নিয়ম
ওজন ঠিক রাখা৷

হালকা ব্যায়াম করা৷ দু-তিন কিলোমিটার টানা হাঁটলেও কাজ হয়৷

পাতে নুন বন্ধ৷ রান্নায় কম নুন ব্যবহার করা৷ এবং যে খাবারে নুন বেশি আছে যেন ফাস্টফুড, আচার, সসেজ, পাঁপড়ি, মুড়ি খাওয়া কমানো৷ যে খাবারে ওজন এবং কোলেস্টেরল বাড়ে, যেমন মিষ্টি আলু, ঘি, মাখন, ডালডা, ডিমের কুসুম, পাঁঠার মাংস, ভাজাভুজি, তৈলাক্ত খাবার কম খাওয়া৷

মানসিক চাপ, টানাপোড়েন এড়িয়ে বাঁচতে শেখা৷

তামাকের নেশা ছেড়ে দেয়া৷

মাত্রা রেখে মদ্যপান করা যেতে পারে৷

ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা৷ মাসে অন্তত দু-বার রক্তচাপ মাপা৷

প্রয়োজনে ওষুধ খাওয়া৷ সাইড এফেক্ট হলে ডাক্তারকে জানানো৷

অন্য ওষুধ শুরু করার আগে ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করা৷

সারাজীবন ওষুধ খেতে হবে, নিয়ম মানতে হবে সেই মানসিক প্রস্ত্ততি৷

কী কী করা যাবে না
খুব বেশি রাগারাগি, চেঁচামেচি নয়৷

নুন পুরোপুরি বন্ধ করবেন না৷ গরমে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন৷

আগেকার দিনে ভালো ওষুধ ছিল না৷ ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার, যেমন দুধ, ছানা, ছোট মাছ, পেঁয়াজ বেশি করে খেতে হত৷ এখনও অনেকে সেই নিয়ম মেনে চলেন৷ এ সমস্ত খাবার খেতে পারেন, কিন্ত্ত ওষুধের বদলে নয়৷

ব্যথা কমার ওষুধ, গর্ভনিরোধক বড়ি থেকে রক্তচাপ বাড়তে পারে৷ কাজেই হাইপ্রেশার থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এ সব ওষুধ খাবেন না৷

গর্ভাবস্থায় রক্তচাপ বাড়া মা-বাচ্চা দুইয়ের জন্যই বিপজ্জনক৷ কাজেই সমস্যা হলে ডাক্তার দেখান৷ বাচ্চা জন্মানোর পরও ফলোআপ চালিয়ে যাবেন৷ কারণ কিছু মহিলার ক্ষেত্রে পরবর্তীকালেও সমস্যা থেকে যায়৷

চিকিৎসা না করালে
রোগ পুষে রাখলে ইস্কিমিক হার্ট ডিজিজ থেকে শুরু করে হার্ট ফেলিওর, স্ট্রোক, ব্রেন ইডিমা, পায়ে গ্যাংগ্রিন, পায়ে স্ট্রোক, কিডনি ফেলিওর, চোখের রেটিনার সমস্যা, চোখে থ্রম্বোসিস থেকে হেমারেজ সব কিছু হতে পারে৷ অতএব মাঝে মাঝেই রক্তচাপ মাপুন৷ রোগ ধরা পড়লে ভালো করে চিকিত্সা করান৷ সূত্র: ওয়েবসাইট।

সূত্র - নুতনবার্তা 

 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: স্বল্প ওষুধে রোগ নিয়ন্ত্রণ
Previous Health Tips: হঠাৎ পায়ে টান?

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')