home top banner

News

২০১২ পেশাগত কারণে ১০১ সাংবাদিক খুন, সাগর-রুনির নাম নেই
26 December,12
 Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   14


আগের বছরের চেয়ে এ বছর (২০১২) বিশ্বে সাংবাদিক খুনের ঘটনা ৪২% বেড়েছে। এ সংখ্যা হচ্ছে ৬৭। এর মধ্যে বাংলাদেশের গ্রামের কাগজের জামালউদ্দিনও রয়েছেন।

তবে এটিএন বাংলার মেহেরুন রুনি এবং মাছরাঙা টিভির গোলাম মোস্তফা সরোয়ারের নাম এ তালিকায় নেই। কারণ, এ সাংবাদিক দম্পতি যে সাংবাদিকতার জন্যেই খুন হয়েছেন তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকদের অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে কর্মরত নিউইয়র্কভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস’ (সিপিজে)।

১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংগৃহিত তথ্য অনুযায়ী সিপিজে এ সংবাদ বার্তা সংস্থা এনাকে দিয়েছে ২৫ ডিসেম্বর।

সিপিজে বলেছে, ১৯৯২ সাল থেকে তারা সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকারের প্রশ্নে নিরন্তরভাবে কাজ করছেন। সে বছর থেকে চলতি বছর নাগাদ বাংলাদেশে পেশাগত কারণে ১৩ সাংবাদিক খুন হয়েছেন।

এছাড়া আরো ৭ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন ভিন্ন কারণে। ১৯৯২ থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ২০ বছরে বাংলাদেশে যে সব সাংবাদিক খুন হয়েছেন তার ৭৭% ক্রাইম রিপোর্টিংয়ের জন্যে, ৪৬% খুন হয়েছেন দুর্নীতির সংবাদ, রাজনৈতিক গ্রুপিংয়ের সংবাদের জন্যে ৩১%, ব্যবসায়িক রিপোর্টের জন্যে ৮% এবং মানবাধিকার লংঘনের সংবাদ প্রকাশের জন্যে খুন হয়েছেন ৮% সাংবাদিক।
২০১২ সালে বিশ্বব্যাপী সাংবাদিক খুনের সংখ্যা বৃদ্ধির মূল কারণ চিহ্নিত হয়েছে সিরিয়ায় যুদ্ধ এবং সোমালিয়ায় শ্যুটিং ও পাকিস্তানে অব্যাহত দাঙ্গা-হাঙ্গামার জন্যে। এছাড়া ব্রাজিলেও সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দমন-পীড়ন বেড়েছে। এ বছর ইন্টারনেট সাংবাদিকতার উপরও হামলার ঘটনা বেড়েছে বলে সিপিজে মন্তব্য করেছে।

ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকরাও হামলার শিকার হয়েছেন উল্লেখযোগ্য হারে। সিপিজে’র বার্ষিক পর্যালোচনামূলক এ প্রতিবেদনে এসব বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত: দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার ব্যাপারে ইতিমধ্যেই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সিপিজে।

সিপিজে ১৯৯২ সাল থেকেই এ তথ্য সংগ্রহ করছে। সে সময় থেকে চলতি ২০১২ সাল পর্যন্ত সারাবিশ্বে ৯৬২ সাংবাদিক খুন হয়েছেন প্রকাশিত সংবাদে সংশ্লিষ্ট দুর্বৃত্ত কর্তৃক। এর মধ্যে  বাংলাদেশের ১৩ সাংবাদিকও রয়েছেন।

এছাড়া উপরোক্ত সময়ে বাংলাদেশে আরো ৬ সাংবাদিককে খুন করা হয়েছে-যার কারণ এখন পর্যন্ত উদঘাটিত হয়নি যে তারা প্রকাশিত সংবাদে ক্ষুব্ধ মহল কর্তৃক খুন হয়েছেন।

চলতি ২০১২ সালে পেশাগত কারণে বাংলাদেশে খুন হওয়া সাংবাদিকের নাম জামালউদ্দিন। তিনি গ্রামের কাগজ নামক একটি পত্রিকার রিপোর্টার ছিলেন।

এ বছর পাকিস্তানে ৭, ভারতে ১, সিরিয়ায় ২৮, সোমালিয়ায় ১২, ব্রাজিলে ৪, রাশিয়ায় ১, থাইল্যান্ডে ১, নাইজেরিয়ায় ১, মিশরে ১, ইরানে ১, ইকুয়েডরে ১, মেক্সিকোতে ১, বাহরাইনে ১, কলম্বিয়ায় ১, তাঞ্জানিয়ায় ১, কম্বোডিয়ায় ১, ইন্দোনেশিয়ায় ১, ফিলিপাইনে এবং লেবাননে ১ সাংবাদিক খুন হয়েছেন। সংবাদের কারণে খুন হয়েছেন কিনা সে ব্যাপারটি নিশ্চিত না হওয়া খুনের তালিকায় ৩২ জনের মধ্যে মেক্সিকো-৫, সিরিয়া-৪, ফিলিপাইন-৩, ইরাক-৩, বাংলাদেশ-২, ইসরাইল-২, সোমালিয়া-২ জন রয়েছেন।

পেশাগত কারণে ১৯৯৬ সালের পর থেকে বাংলাদেশে খুন হওয়া ১৩ সাংবাদিক হলেন গ্রামের কাগজের জামালউদ্দিন (২০১২ সালের ১৫ জুন), সমকালের গৌতম দাস (২০০৫ সালের ১৭ নভেম্বর), সংগ্রামের শেখ বেলালউদ্দিন (২০০৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি), আজকের কাগজের কামাল হোসেন (২০০৪ সালের ২২ আগস্ট), জন্মভূমির হুমায়ূন কবির (২০০৪ সালের ২৭ জুন), নিউ এইজের মানিক সাহা (২০০৪ সালের ১৫ জানুয়ারি), অনির্বাণের শুকুর হোসেন (২০০২ সালের ৫ জুলাই), দৈনিক পূর্বাঞ্চলের হারুনর রশীদ (২০০২ সালের ২ মার্চ), অনির্বানের নাহার আলী (২০০১ সালের ২১ এপ্রিল), জনকণ্ঠের শামসুর রহমান (২০০০ সালের ১৬ জুলাই), দৈনিক বীর দর্পণের মীর ইলিয়াস হোসেন (২০০০ সালের ১৫ জানুয়ারি), দৈনিক রানারের সাইফুল আলম মুকুল (১৯৯৮ সালের ৩০ আগস্ট) এবং নীল সাগরের মোহাম্মদ কামরুজ্জামান (১৯৯৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি)।

পেশাগত কারণে খুন হয়েছেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি এমন ৬ সাংবাদিক হলেন এটিএন বাংলার মেহেরুন রুনি (২০১২ সালের ১১ ফেব্রয়ারি), মাছরাঙা টেলিভিশনের গোলাম মোস্তফা সারওয়ার (২০১২ সালের ১১ ফেব্রয়ারি), দুর্জয় বাংলার দিপঙ্কর চক্রবর্তি (২০০৪ সালের ২ অক্টোবর), পূবালী বার্তার সৈয়দ ফারুক আহমেদ (২০০২ সালের ৩ আগস্ট), ফ্রিল্যান্সার আহসান আলী (২০০১ সালের ২০ জুলাই) এবং অগ্রদূতের এস এম আলাউদ্দিন (১৯৯৬ সালের ১৯ জুন)।

১৯৯২ সাল থেকে এ বছর পর্যন্ত সবচেয়ে বেশী সাংবাদিক খুন হয়েছেন ইরাকে-১৫১। দ্বিতীয় শীর্ষে ফিলিপাইন-৭৩। এরপরের ক্রমিকে রয়েছে আলজেরিয়া-৬০, রাশিয়া-৫৪, সোমালিয়া-৪৮, পাকিস্তান-৪৮, কলম্বিয়া-৪৪, সিরিয়া-৩০, ভারত-২৮, মেক্সিকো-২৮, ব্রাজিল-২৪, আফগানিস্তান-২৪, তুরস্ক-২০, শ্রীলংকা-১৯, বসনিয়া-১৯, তাজিকিস্তান-১৭, রুয়ান্ডা-১৭, সিয়েরা লিয়ন-১৬, বাংলাদেশ-১৩ এবং থাইল্যান্ড-১০।

content aggregation:healthPrior21

source:24livenewspaper

http://www.24livenewspaper.com/site/index.php?url=www.sangbad24.net/


Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: পাল্টে যাচ্ছে বিজ্ঞান-বিশ্ব
Previous Health News: can certain medications cause diabetes?

More in News

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... See details

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... See details

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... See details

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... See details

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... See details

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')