গ্লুকোমা হচ্ছে চোখের একটি রোগ। এতে চোখের অভ্যন্তরীণ চাপ বেড়ে অপটিক নার্ভের ক্ষতি হয়। স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দৃষ্টি ও দৃষ্টির পরিসীমা। এই রোগের চিকিৎসায় সম্প্রতি উন্নত বিশ্বে সিলেকটিভ লেজার ট্রাবিকুলোপ্লাস্টি বা এসএলটি নামে একটি বিশেষ পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহূত হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে লেজারের সাহায্যে চোখের কোণের টিস্যুর পরিবর্তন করা হয়। ট্রাবিকুলার মেশওয়ার্কের ভেতর দিয়ে চোখের পুষ্টি সরবরাহকারী তরল পদার্থ বা অ্যাকুয়াস হিউমার বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে এ পদ্ধতি। এতে স্বাভাবিক হয়ে আসে চোখের চাপ।
— আপাতদৃষ্টিতে এর কোনো লক্ষণ সহজে প্রকাশিত হয় না। নিয়মিত চোখ পরীক্ষার মাধ্যমেই এটি শনাক্ত করা সম্ভব।
— গ্লুকোমা সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য নয়; ওষুধ, শল্যচিকিৎসা বা লেজারের মাধ্যমে চোখের চাপ স্বাভাবিক রাখাই চিকিৎসার উদ্দেশ্য।
— একবার লেজার দেওয়া হলে এক থেকে দুই বছর পর্যন্ত রোগীর চোখের চাপ কম থাকে।
— মাত্র ১০-১৫ মিনিটে এই চিকিৎসা করা যায় এবং রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি রাখতে হয় না।
— যাদের রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে তাদের জন্য এই চিকিৎসাব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
— লেজারের পরও রোগীকে ওষুধ ব্যবহার করতে হতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে ওষুধের সংখ্যা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
বর্তমানে বাংলাদেশেও এই বিশেষ ধরনের লেজার চিকিৎসা করা হচ্ছে।
সূত্র : প্রথম আলো
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-03-03/news/333555

