ওষুধে ব্যবহূত মোড়ক বা অ্যালু-অ্যালু ফয়েল দেশেই বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করেছে তে-ইল অ্যালুমিনিয়াম বাংলাদেশ লিমিটেড। বাংলাদেশ ও কোরিয়ার যৌথ উদ্যোগের এই প্রতিষ্ঠান সাভারে কারখানা গড়ে তুলেছে। দেশে এটাই ওষুধশিল্পের পশ্চাদমুখী সংযোগ শিল্পের প্রথম প্রতিষ্ঠান।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ওষুধশিল্পে ব্যবহূত মোড়কের শতভাগই আমদানি করতে হয়। এতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়। তবে বর্তমানে তে-ইল অ্যালুমিনিয়াম দেশেই মোড়ক উৎপাদন শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ইবনে সিনা, গ্লোব, ফার্মাদেশসহ দেশীয় কয়েকটি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মোড়ক ব্যবহার শুরু করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমদানির চেয়ে আমাদের পণ্য মানম্পন্ন। সে জন্য দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এটি ব্যবহার করছে। স্কয়ারসহ নামীদামি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে নমুনা দেওয়া হয়েছে। তারাও ইতিবাচক মত দিয়েছে।’
মুনিরুল ইসলাম আরও বলেন, ‘মোড়ক উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল নাইলন ফ্লিম ও পিভিসি ফ্লিমের শুল্ক সর্বোচ্চ ২৫ ও সর্বনিম্ন ১২ শতাংশ। এ কারণে উৎপাদন খরচ বেশি হচ্ছে। এ ছাড়া গ্যাস ও বিদুতের সংকট তো আছেই। এর ফলে শুরুতেই অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে।’ দেশীয় শিল্পের স্বার্থসংরক্ষণে কাঁচামালের শুল্কহার ৫ শতাংশ নির্ধারণের দাবি জানান তিনি।
উদ্যোক্তারা জানান, বর্তমানে দেশে ২৫০টি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আছে। তাদের উৎপাদিত ওষুধের বিপরীতে অ্যালু-অ্যালু ফয়েলের মাসিক চাহিদা ৪০০ মেট্রিক টনের পুরোটাই উৎপাদন করার সক্ষমতা আছে তে-ইল অ্যালুমিনিয়ামের। তবে প্রথম অবস্থায় উৎপাদন হচ্ছে ৫০ মেট্রিক টন।
Source: The Daily Prothom Alo

