home top banner

News

আপিল শুনানি ১৫ জানুয়ারি
12 December,12
 Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   15

 

 

 

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের ওপর শুনানি হবে আগামী ১৫ জানুয়ারি। আজ বুধবার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত আপিল বিভাগের বেঞ্চ শুনানির এ দিন ধার্য করেন।
একই সঙ্গে পলাতক দুই আসামির প্রতি নোটিশ জারি থেকে অব্যাহতি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। পলাতক দুই আসামি হলেন: দফাদার মারফত আলী শাহ ও দফাদার মো. আবুল হাশেম মৃধা।
আসামিপক্ষে আইনজীবী হিসেবে মামলা পরিচালনার জন্য আব্দুল্লাহ আল মামুনের নামও প্রস্তাব করেছেন আদালত। এ ব্যাপারে আজ দুপুর ১২টার মধ্যে আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ নভেম্বর আপিল বিভাগ ১১ ডিসেম্বর শুনানির তারিখ ধার্য করেন। ওই দিন অপরপক্ষকে নোটিশ জারি না করায় শুনানি হয়নি। গতকাল রাষ্ট্রপক্ষ পলাতক দুই আসামির প্রতি নোটিশ জারি থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করে। আজ সকালে এই আবেদনের ওপর শুনানি হয়।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও আনিসুল হক মামলা পরিচালনা করেন। চার নেতার একজন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর ছেলে মো. নাসিম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
পরে আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, গতকাল বিষয়টি কার্যতালিকায় ছিল। অপরপক্ষকে নোটিশ পাঠানো হয়নি। অথচ নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, তিনবার ওই আসামিদের প্রতি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। কিন্তু ওই ঠিকানা থেকে তা ফেরত এসেছে। নোটিশ জারি থেকে অব্যাহতি চেয়ে করা আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। ওই দুই আসামির পক্ষে আইনজীবী হিসেবে আব্দুর রেজাক খানের নাম প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। আপিল বিভাগ পরে আব্দুল্লাহ আল মামুনের নাম প্রস্তাব করেন। তিনি সম্মত কি না—এ বিষয়ে দুপুর ১২টার মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে। তিনি রাজি না হলে আরেকজনকে মনোনীত করা হবে। এ ছাড়া ১৫ জানুয়ারি আপিলের শুনানি হবে।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আদালত আমাকে আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। না বলার সুযোগ নেই। আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে মামলা পরিচালনায় সম্মত আছি।’
১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর রাতে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে। পরদিন তত্কালীন উপকারা মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এরপর ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে পলাতক আসামি রিসালদার (ক্যাপ্টেন) মোসলেহ উদ্দিন, দফাদার মারফত আলী শাহ ও দফাদার মো. আবুল হাশেম মৃধাকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
এরপর ২০০৮ সালের ২৮ আগস্ট হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মারফত আলী শাহ ও আবুল হাশেম মৃধাকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয় রিসালদার মোসলেহ উদ্দিনের। এ ছাড়া চারজন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড থেকে অব্যাহতি পান। অপর আট আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ বহাল থাকে।
এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। পৃথক পাঁচটি লিভ টু আপিল করা হয়। ২০১০ সালের ৪ নভেম্বর আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন শুনানির দিন নির্ধারণের জন্য আরজি জানায়। জেলহত্যা মামলায় হাইকোর্টে অব্যাহতি পাওয়া চারজন—সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, বজলুল হুদা ও এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদের ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।
পরে হাইকোর্টের রায়ে অব্যাহতি পাওয়া দুই আসামি দফাদার মারফত আলী শাহ ও দফাদার মো. আবুল হাশেম মৃধাকে গত বছরের ১১ জানুয়ারি অবিলম্বে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ওই দিন আদালত আপিলের সারসংক্ষেপ (কনসাইজ স্টেটমেন্ট) ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে বলেছিলেন।

 

content aggregation:healthPrior21

source:prothom-alo

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-12-12/news/312671

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: চাভেজের সফল অস্ত্রোপচার
Previous Health News: Sugar 'comforts babies during immunisations'

More in News

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... See details

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... See details

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... See details

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... See details

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... See details

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')