রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল আজহা। এই ঈদে চাঁদ দেখা নিয়ে ঈদুল ফিতরের মতো আগের দিনের দোদুল্যমানতা নেই। আগেই নির্ধারিত হয়েছে ঈদের তারিখ। ১৬ অক্টোবর বুধবার বা ১০ জিলহজ। এখন কেবল রাত পোহানোর প্রতীক্ষা।
কোরবানির পশু কেনা হয়েছে। কর্মস্থল থেকে যাঁরা গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, তাঁরা ঘরেও ফিরেছেন। মহান আল্লাহ তাআলার উদ্দেশে পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে দেশের মুসলিম সম্প্রদায় তাঁদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উদ্যাপন করবেন। ঘরে ঘরে ত্যাগের আনন্দে মহিমান্বিত হবে মন। জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হলেও পরের দুই দিন, অর্থাৎ ১১ ও ১২ জিলহজেও পশু কোরবানি করার বিধান আছে।
প্রায় চার হাজার বছর আগে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি লাভের জন্য হজরত ইব্রাহিম (আ.) তাঁর ছেলে হজরত ইসমাইল (আ.)-কে কোরবানি করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কিন্তু পরম করুণাময়ের অপার কুদরতে হজরত ইসমাইল (আ.)-এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়। হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সেই ত্যাগের মহিমার কথা স্মরণ করে মুসলিম সম্প্রদায় জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ লাভের আশায় পশু কোরবানি করে থাকেন।
সূত্র - প্রথম আলো

