সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, যদি ওজন কমাতে চাই তাহলে দৌড়ানো বেশি কাজে দেয়। কিন্তু হাঁটলেও শক্তি ব্যয় হয়। দেখা গেছে, হেঁটে সমপরিমাণ শক্তি (ক্যালরি) ব্যয় করলেও ওজন নিয়ন্ত্রণ ততটা হয় না, যতটা হয় দৌড়ালে। এর একটি কারণ হতে পারে এই যে, দৌড়ালে ক্ষুধা কমে যায়। পরীক্ষায় দেখা গেছে, দৌড়ানোর পর রক্তে পেপটাইড ওয়াইওয়াই (peptide YY) নামক হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এটা ক্ষুধা কমায়। হাঁটলেও পরিশ্রম হয়, কিন্তু বেশিক্ষণ হেঁটেও পেপটাইডের মাত্রা বেশি বাড়ানো যায় না। ফলে ক্ষুধা ভালোই থাকে। তবে কিছু ক্ষেত্রে হাঁটা বেশি ভালো বলে প্রমাণিত হয়েছে। আরটারিওক্লেরোসিস, থ্রমবোসিস অ্যান্ড ভাসকুলার বায়োলজিতে (মে, ২০১৩) প্রকাশিত এক গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, দিনে এক ঘণ্টা করে দৌড়ালে হূদেরাগের ঝুঁকি সাড়ে চার শতাংশ কমানো যায়। কিন্তু সমান শক্তি ব্যয় করে হাঁটলে হূদেরাগের ঝুঁকি ৯ শতাংশ কমে। সাধারণভাবে বলা যায়, একেবারে কোনো রকম শরীর চর্চা না করার চেয়ে হাঁটা বা দৌড়ানোর যেকোনো একটি স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ভালো।
সূত্র - প্রথম আলো

