পরিষ্কার পানি ও সাবান স্বাস্থ্যবিধি রক্ষার পাশাপাশি শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধিতেও যথেষ্ট ভূমিকা রাখে। এমনিতেই শিশুরা পানিবাহিত রোগেই বেশি আক্রান্ত হয়। অনবরত রোগে ভোগার ফলে শিশুস্বাস্থ্য বৃদ্ধিতে এক দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
বাংলাদেশসহ বেশকিছু উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশে সম্প্রতি একটি গবেষণা পরিচালিত হয়। অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে এশিয়ার পাকিস্তান, কম্বোডিয়া ও নেপাল ছিল। আফ্রিকার ইথিওপিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও কেনিয়াও গবেষণার অধীনে ছিল। দক্ষিণ আমেরিকার চিলি ও গুয়াতেমালার শিশুদের স্বাস্থ্যও পরীক্ষা করা হয়েছিল।
গবেষণার ১৪ ধাপে অন্তত দশহাজার শিশুকে নিয়ে করা গবেষণাপত্রটি কোকরেইন পর্যালোচনা নামে পরিচিত। আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা ওয়াটার এইড এবং লন্ডল স্কুল অব হাইজেনিক এন্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের নেতৃত্বে এই গবেষণাটি করা হয়। অপুষ্টিজনিত কারণে পৃথিবীতে ২৬৫ মিলিয়ন শিশুর উপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে।
লন্ডন স্কুল অব হাইজেনিক অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিনের ড. অ্যালান ড্যাঙ্গোর বলেন, “দৈহিক বৃদ্ধির প্রয়োজনে বিশুদ্ধ পানি ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি এই প্রথমবার আমরা সামনে আনতে পেরেছি।”
ড. অ্যালান আরও জানান, আগে রোগ বালাই থেকে বাঁচার জন্যই বিশুদ্ধ পানির কথা বলা হত। কিন্তু আমরা প্রমাণ করেছি শিশুর দৈহিক বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে বিশুদ্ধ পানি ও পরিচ্ছন্নতা।
সূত্র - poriborton.com

