বাংলাদেশে হোটেল, রেস্তোরাঁ, অফিসে ধূমপান নিষিদ্ধ। যদিও এ আইন কেউ মানেন না এবং আইন অমান্য করার কারণে কারও শাস্তি হয়েছে বলেও জানা যায়নি। আইন থাকলেও অনেক হোটেলে সাইনবোর্ড টানিয়ে ধূমপানের সুযোগ রাখা হয়েছে। আর এসব জায়গায় এক টেবিলে ধূমপান চলছে আর পার্শ্বের টেবিলে শিশুসহ পরিবারের সদস্য রয়েছেন। ফলে শিশুরা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে। অভিজাত এলাকা গুলশানের একাধিক হোটেল-রেস্তোরাঁয় প্রকাশ্যে ধূমপান চলছে। অথচ দেখার কেউ নেই। তবে কানাডায় শিশুদের ধূমপানের ক্ষতিকর স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে শিশু রয়েছে এমন প্রাইভেট কারে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইতিপূর্বে কানাডায় শিশু রয়েছে এমন বসতবাড়ীতেও ধূমপান নিষিদ্ধ করে। ফলে কানাডার বসতবাড়ীতে, ফ্ল্যাটে ধূমপানের হার শতকরা ৯১ ভাগ কমে এসেছে। তবে আইনে থাকুক আর না থাকুক আমাদের দেশেও প্রাইভেট কার, শিশু আছে এমন বসতঘর, হোটেল-রেস্তোরাঁয় ধূমপান বন্ধ রাখা উচিত। কারণ পরোক্ষ ধূমপানের ক্ষতিকর ঝুঁকির কারণে শিশুদের শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, কাশি ও ফুসফুসের ক্যান্সারের মত মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। ধূমপান পরিহার করা উচিত। তবে কোন কারণে ধূমপান পরিত্যাগ না করা গেলে কোন অবস্থাতেই শিশুদের সম্মুখে ধূমপান করা উচিত নয়। এতে একদিকে শিশুরা ধূমপানের ক্ষতি থেকে রক্ষা পায় এবং অন্যদিকে শিশুরা ধূমপানে কৌতূহলী হতে নিরুত্সাহিত হয়।
সূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক

