home top banner

News

ইমরান খানের ক্যান্সার হাসপাতাল যেখানে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়া হয়
05 July,13
 Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   77

 পাকিস্তান থেকে ফিরে  মোবায়েদুর রহমান : গত ৭ দিন দেশের বাইরে ছিলাম। পাকিস্তান সরকারের আমন্ত্রণে এই ৭দিন পাকিস্তানের চারটি শহর সফর করেছি। শহরগুলি হলো, করাচী, লাহোর, ইসলামাবাদ এবং শৈল শহর মারী। এর আগে আমি একাধিকবার পাকিস্তান সফর করেছি। কিন্তু এবার পাকিস্তানের এলিট শ্রেণীর মানসিকতায় একটি পরিবর্তন লক্ষ্য করলাম। এই পরিবর্তনের স্পষ্ট ছাপ লক্ষ্য করা গেছে নব নির্বাচিত ফেডারেল সরকারের চিন্তাধারায়। এতদিন তাদের পররাষ্ট্র নীতির ফোকাল পয়েন্ট ছিল কাশ্মীর। সেই সুবাদে ভারত। কাজেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর কনসেনট্রেশন ছিল পূর্ব এবং পূর্ব দক্ষিণ সীমান্তে। কিন্তু আমেরিকা কর্তৃক আফগানিস্তান দখলের পর থেকেই পাকিস্তানের ফরেন পলিসি প্রায়োরিটি বদলাতে শুরু করে। পাকিস্তানের সমগ্র পূর্ব ও দক্ষিণ পূর্ব সীমান্ত জুড়ে যেমন রয়েছে ভারত তেমনি সমগ্র উওর ও উত্তর পশ্চিম সীমান্ত জুড়ে রয়েছে আফগানিস্তান। আমেরিকার আফগানিস্তান দখলের পর আফগান মুক্তিযোদ্ধারা মার্কিন হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ শুরু করে। ফলে অভিন্ন সীমান্ত হিসেবে পাকিস্তানের সীমান্ত প্রদেশ (বর্তমান নাম ‘পাখতুন খাওয়া’) এবং বেলুচিস্তানের আফগান সীমান্তবর্তী অঞ্চল প্রত্যক্ষ ভাবে না হলেও পরোক্ষ ভাবে এবং মনস্তাত্ত্বিক ভাবে এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ফলে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র নীতিতেও অগ্রাধিকার তালিকায় দ্রুত গতিতে পরিবর্তন সূচিত হয়। ধীরে ধীরে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতির ফোকাল পয়েন্ট ভারত থেকে সরে যেতে শুরু করে এবং আফগানিস্তানের প্রতি নিবদ্ধ হতে শুরু করে।
 এদিকে আফগানিস্তানে তালেবানদের উপর মার্কিন ও ন্যাটো বাহিনীর ক্রমাগত হামলা এবং পাইকারি হত্যাকা-ের ফলে সীমান্তবর্তী পাখতুন খাওয়ায় বিশেষভাবে এবং সাধারণ ভাবে সমগ্র পাকিস্তানের জনগণের উপর তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এর কারণ হল এই যে নৃতাত্ত্বিক ভাবে আফগানিস্তানে যেমন রয়েছে বিপুল সংখ্যক পশতুন ভাষী পাঠান তেমনি পাকিস্তানের সীমান্ত প্রদেশের অধিবাসীরাও পাঠান। তেমনি বেলুচিস্তানের অধিবাসীদের মধ্যেও রয়েছে অনেক পাঠান। এদের সকলের মাঝেই প্রবল মার্কিন বিরোধী মনোভাব সৃষ্টি হয়। তালেবান এবং আলকায়দার বিরুদ্ধে পশ্চিমা দুনিয়া থেকে যত প্রচারণাই চালাক না কেন , সুদূর আটলান্টিক থেকে উড়ে এসে মার্কিনীরা আফগানিস্তান দখল করবে , এটা কোন বীর আফগান মেনে নিতে পারে নি।
মার্কিনী হামলার সম্প্রসারণ
সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে আমেরিকা পররাজ্য গ্রাসের যে নীতি অনুসরণ করে সেটি আফগানিস্তানের পর ইরাকে সম্প্রসারিত হয়। ইরাকেও শুরু হয় মার্কিন বিরোধী গেরিলা যুদ্ধ। আজ ইরাক নিয়ে আলোচনা করবো না। আমাদের আলোচনা পাকিস্তানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখবো। আফগানিস্তান দখলের তীব্র প্রতিক্রিয়া পাকিস্তানেও সৃষ্টি হয়। পাকিস্তানেও প্রতিরোধ সংগ্রাম শুরু হয়। মার্কিনিদের চাপে তৎকালীন পারভেজ মোশাররফ সরকার এই মার্কিন বিরোধী আন্দোলন দমন করা শুরু করে। ধীরে ধীরে সেই আন্দোলন গেরিলা তৎপরতায় রূপান্তরিত হয়। এই তৎপরতা দমনের জন্য মার্কিনীরা পাকিস্তানের সার্বভৈামত্ব লঙ্ঘন করে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে বিশেষ করে ওয়াজিরিস্তানে চালক বিহীন ড্রোন বিমান হামলা শুরু করে। সেই হামলা বিগত বছর ধরে চলছে তো চলছেই। ইতিমধ্যে এই ড্রোন হামলায় যত না তালেবান নিহত হয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশী নিহত হয়েছে বেসামরিক জনগণ। সংক্ষিপ্ত সফরকালে পাকিস্তানের করাচী থেকে সামাবাদ পর্যন্ত বিস্তৃত বিস্তীর্ণ ভূখন্ডের সর্বত্র দেখেছি সমগ্র জনগোষ্ঠীর তীব্র মার্কিন বিরোধী মনোভাব। আমার প্রিজম থেকে যেটুকু দেখেছি তাতে আমার মনে হয়েছে যে পাকিস্তানের ১৮কোটি মানুষ এই মুহূর্তে যত না ভারত বিরোধী, তার চেয়ে বেশী মার্কিন বিরোধী। আমেরিকা পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বের প্রতি বুড়ো আঙুল দেখাচ্ছে। পাকিস্তানের পার্লামেন্টে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত একটি প্রস্তাবে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ড্রোন হামলা বন্ধের জন্য আমেরিকার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছিলো। কিন্তু আমেরিকা পার্লামেন্টের সেই সর্বসম্মত প্রস্তাবের প্রতি বিন্দুমাত্র সম্মান দেখায়নি। তারা ড্রোন হামলা চালিয়েই যাচ্ছে।
মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের পর
কঠোর বাস্তব হলো এই যে আমেরিকার পা আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের ফাটা বাঁশে আটকে গেছে। আমেরিকা যত ক্ষমতাধর হোক না কেন, আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের সমগ্র জনগোষ্ঠীর সক্রিয় প্রতিরোধের মুখে তারা আর কতদিন গায়ের জোরে দেশ দুটিকে পদানত রাখবে ? তাই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে ২০১৪ সালের মধ্যেই আফগানিস্তান থেকে সমস্ত বিদেশী সৈন্য প্রত্যাহার করা হবে। বিদেশী সৈন্য আফগানিস্তান থেকে চলে গেলে তারপর কি হবে ? এটি এখন পাকিস্তানের কাছে বিশেষ করে নব নির্বাচিত নওয়াজ শরীফের গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে জ্বলন্ত প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে আমেরিকা আফগানিস্তানের অভিভাবকত্ব ভারতের উপর ছেড়ে দিতে চাচ্ছে। পাকিস্তানের পক্ষে বোধগম্য কারণেই আফগানিস্তানে ভারতীয় আধিপত্য মেনে নেওয়া সহজ নয়। তাই পাকিস্তান সফর কালে আমি যেটুকু বুঝতে পেরেছি সেটাতে আমার মনে হয়েছে যে পাকিস্তানের কাছে এখন সর্বাধিক গুরুত্ব পাচ্ছে বিদেশী বাহিনীর প্রস্থানোত্তর আফগানিস্তান। প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের সরকার তার পররাষ্ট্র নীতি বিন্যাসের সময় সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন অভিন্ন সীমান্ত সন্নিহিত দেশ সমূহের ওপর। ফলে পাকিস্তানের কাছে টপ প্রায়োরিটি পাচ্ছে আফগানিস্তান এবং ভারত। গণচীন পৃথিবীর দ্বিতীয় অর্থনৈতিক সুপার পাওয়ার এবং উদীয়মান পরাশক্তি। এছাড়াও দেশটি পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠতম এবং পরীক্ষিত বন্ধু। এছাড়া সম্পর্কের যতই টানাপোড়েন থাকুক না কেন, আমেরিকা আজও বিশের¦ একমাত্র অর্থনৈতিক এবং সামরিক পরাশক্তি। সুতরাং এই দুটি দেশ তাদের শক্তি সামর্থ্য এবং অবস্থানগত কারণে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র নীতিতে বিশেষ স্থান দখল করে রাখবে ত্রবং ত্রবারও রেখেছে। পাকিস্তানের পশ্চিম এলাকায় বিশেষ করে বেলুচিস্তানের সমগ্র পশ্চিম সীমান্ত জুড়ে রয়েছে ইরান। ইরানেও রয়েছে বিপুল সংখ্যক বেলুচ। তাই ইরানও পাকিস্তানের কাছে অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং বর্তমান রাশিয়া বিশাল একটি দেশ। এছাড়াও রাশিয়া তার অতীত ধকল কাটিয়ে আবার প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে। সেই রাশিয়াও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এভাবেই নওয়াজ শরীফের সরকার তার পররাষ্ট্র নীতি সাজিয়েছেন বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। 
তালেবান ফ্যাক্টর
এত গেল বিদেশী রাষ্ট্রের কথা। কিন্তু দেশের অভ্যন্তরে তো রয়ে গেল তালেবান ফ্যাক্টর। সেটিকে  ইগনোর করা কি নওয়াজ শরীফের পক্ষে এত সহজ ? তালেবানদেরকে তো এরা উপেক্ষা করতে পারছে না। তাই মার্কিনীরা সুদূর কাতারে তালেবানদের সাথে আলাপ আলোচনা চালাচ্ছে। আর তালেবানরাও কাতারে তাদের অফিস খুলেছে। সেখানে পাকিস্তানের কোন সরকারের পক্ষে এমনকি শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর পক্ষেও তালেবানদেরকে ইগনোর বা উপেক্ষা করা চাট্টিখানি কথা নয়। তাই পাকিস্তানের গণতান্ত্রিক সরকারও চাচ্ছে তালেবানদের সাথে আলোচনা করতে। সেটি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ  যে ভাবেই হোক না কেন। 
বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তানের কোন সীমান্ত নাই। এছাড়াও বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে দেড় হাজার মাইল দূরে অবস্থিত। বাংলাদেশের সাথে পাকিস্তান ভ্রাতৃসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের সাথে আমাদের অনেকগুলি বৈঠক হয়েছে। সর্বত্র তারা বলেছেন যে তোমাদের সাথে আমাদের রয়েছে অভিন্ন ধর্ম , ইতিহাস এবং ঐতিহ্য। দুটি দেশই মুসলিম উম্মার সদস্য। সৌভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধির জন্য পাকিস্তান মাঝে মাঝেই বাংলাদেশ থেকে শিক্ষক , ছাত্র , সাংবাদিক প্রভৃতি প্রতিনিধি দল তাদের দেশে বেড়াতে এবং স্টাডি ট্যুরে নিয়ে যাচ্ছে।
ইমরান খানের ক্যান্সার হাসপাতাল
আমি একাধিকবার পাকিস্তান সফর করেছি। কিন্তু এবারই সর্বপ্রথম আমার সৌভাগ্য হয়েছিলো লাহোরে অবস্থিত ক্রিকেটের বিশ্ববিখ্যাত অলরাউন্ডার ইমরান খানের ক্যান্সার হাসপাতাল পরিদর্শনের। হাসপাতালটির নাম ‘শওকত খানম মেমোরিয়াল ক্যান্সার হাসপাতাল এবং গবেষণা কেন্দ্র’। শওকত খানম ইমরান খানের মাতা। দুরারোগ্য ক্যান্সার ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে ১৯৭৫ সালে তিনি মারা যান। এই শোক ইমরান খানের ভেতর দুর্গত মানবতার সেবায় একটি অত্যাধুনিক ক্যান্সার হাসপাতাল গড়ে তোলায় অনুপ্রেরণা যোগায়। ৩০একর অর্থাৎ প্রায় ৯০বিঘা জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালটির অনন্য সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো এই যে এখানে ৭৫শতাংশ রোগীকে দুরারোগ্য ক্যান্সারে বিনামূল্যে চিকিৎসা করা হয়। যে ক্যান্সার চিকিৎসায় খরচ হয় লক্ষ লক্ষ টাকা , যে ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য ধনাঢ্য মানুষরা ছোটেন সিঙ্গাপুর , আমেরিকা , অষ্ট্রেলিয়া , ইংল্যান্ড এবং ভারতে , যে ক্যান্সার চিকিৎসায় ৫০লক্ষ টাকা থেকে ১কোটিরও বেশি টাকা খরচ হয় , সেখানে ৭৫শতাংশ রোগীকে বিনামূল্যে ক্যান্সার চিকিৎসা প্রদান একটি অবিশ্বাস্য এবং অকল্পনীয় ব্যাপার। 
রোগীদের ক্রমবর্র্ধমান ভিড়
এই হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আমাদের কে যে তথ্য দিয়েছেন সেই তথ্য থেকে দেখা যায় যে বিগত ১১ বছরে বহির্বিভাগে রোগীর সংখ্যা ৪০হাজার থেকে ১লক্ষ ৪১হাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বহির্বিভাগে যাদেরকে কেমো থেরাপি দেওয়া হয়েছে তাদের সংখ্যা ৯হাজার থেকে ৩১ হাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্যাথলজি পরীক্ষা ৩লক্ষ ৯২হাজার থেকে ৩২লক্ষ ৫১হাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে এখানে প্যাথলজি টেস্ট , অপারেশন এবং কেমো থেরাপি দেওয়া হয়। এই হাসপাতালে বর্তমানে ১৪৫টি শয্যা রয়েছে যেখানে অপারেশনের পর রোগীদের রাখা যায়। আমাদের কে সরবারহ করা তথ্য মতে এই হাসপাতালে বর্তমানে রয়েছে অন্তত ৭০জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যারা বিদেশ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছেন। আমার এক প্রশ্নের উত্তরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন যে ফার্স্ট স্টেজ পেশেন্ট বা ক্যান্সারে প্রথম স্তরের রোগীদের সুস্থ হওয়ার হার শতকরা একশত ভাগ। দ্বিতীয় স্তরে রিকোভারী বা সুস্থতার হার ৫০শতাংশ বা তার কিছু ওপরে কতৃপক্ষ আরও জানালেন যে লাহোরের সমান আরও দুটি ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে করাচী এবং পেশাওয়ারে। কয়েকজন চিকিৎসককে বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষণ লাভের জন্য বিদেশে পাঠানো হয়েছে। লাহোর হাসপাতালেরও সম্প্রসারণের কাজ এগিয়ে চলেছে। ইমরান খান ব্যক্তিগত ভাবে এসব কাজের তদারকি করছেন।
আমি কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য লক্ষ টাকা বা কোটি টাকা খরচ করে মানুষ বিদেশে চিকিৎসা নিচ্ছে। কিন্তু তারা পাকিস্তানে আসছে না কেন, যদিও সেখানে চিকিৎসা খরচ সুলভ এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা আধুনিক। উত্তরে তারা আমাকে জানান যে এখানে শুধু পাকিস্তানীদের চিকিৎসা করা হয়। এই হাসপাতাল বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চলে না। কোন রোগী হাসপাতালে এলে তাকে প্রথমে জিজ্ঞাসা করা হয় যে চিকিৎসা করানোর জন্য টাকা দেয়ার ক্ষমতা তার আছে কিনা। যদি সে বলে যে তার ক্ষমতা আছে , তাহলে সে নিজ থেকে যত টাকা দেবে কতৃপক্ষ সেটিই গ্রহণ করবে। যদি সে বলে ৫০শতাংশ টাকা দেবে তাহলে সেটিই সই। যদি বলে ১০শতাংশ দেবে সেটিও সই। আর যদি বলে সে এক পয়সায়ও দিতে পারবে না তাহলে সেটিও সই।
পাকিস্তান থেকে ফেরার সময় বিমানে বসে ভাবছিলাম যে আল্লাহ্ সুবহানাল্লাহ্ তালা ইমরান খানের সমস্ত গুনাহ্ খাতা মাফ করে দেবেন। মরহুম হুমায়ন আহমদ বাংলাদেশে একটি ক্যান্সার হাসপাতাল গড়তে চেয়েছিলেন। তার আগেই তিনি ওপারে চলে গেলেন। বাংলাদেশে এমন কি কেউ নেই যিনি বা যারা এমন একটি মহতী উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে আসবেন ? 

 

সূত্র - দৈনিক ইনকিলাব

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: Coronavirus: New virus 'not yet global threat'
Previous Health News: স্টেম সেল থেরাপির মাধ্যমে এইডস মুক্ত

More in News

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... See details

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... See details

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... See details

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... See details

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... See details

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')