home top banner

News

ইমুনোথেরাপি বা অ্যালার্জি ভ্যাকসিন
22 June,13
 Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   165

অ্যালার্জি বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের কাছে এক অসহনীয় ব্যাধি । কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জি সামান্যতম অসুবিধা করে, আবার কারও ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে। ঘরের ধুলাবালি পরিষ্কার করেছেন? হঠাৎ করে শুরু হলো হাঁচি এবং পরে শ্বাসকষ্ট অথবা ফুলের গন্ধ নিচ্ছেন রা গরুর মাংস, চিংড়ি, ইলিশ মাছ, গরুর দুধ খেলেই শুরু হলো গা চুলকানি বা চামড়া লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা। এগুলো হলে আপনার অ্যালার্জি আছে ধরে নিতে হবে। অনেকেরই ধারণা অ্যালার্জির কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। ওষুধ দিয়ে উপসর্গ কিছু দিন দমিয়ে রাখা যায় এবং ওষুধ বন্ধ করলেই শুরু হয় উপসর্গগুলো। এ কথা কিন্তু অমূলক কিছু নয়। প্রায় ক্ষেত্রেই তাই দেখা দেয়। তাই অ্যালার্জি রোগীদের জানা দরকার রোগটা অ্যালার্জিজনিত কিনা

চিকিৎসা পদ্ধতি : প্রথমত. অ্যালার্জি দ্রব্যাদি থেকে এড়িয়ে চলা, দ্বিতীয়ত. ওষুধ চিকিৎসা, তৃতীয়ত. ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি। প্রায় ৮০ বছর ধরে ভ্যাকসিন বিভিন্ন দেশে প্রচলিত এবং একেক দেশে একেকভাবে প্রয়োগ করা হয় এবং কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ছিল না, তাই ভ্যাকসিন বা অ্যালার্জেন ইমুনোথেরাপি ব্যবহারের দিকনির্দেশনা তৈরির জন্য ১৯৯৭ সালে ২৭ থেকে ২৯ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশ্বব্যাপী অ্যালার্জি, হাঁপানি ও ইমুনোথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন সংস্থা একত্রিত হয়ে অ্যালার্জেনের বিরুদ্ধে প্রতিষেধকমূলক অ্যালার্জেন ইমুনো-থেরাপি বা ভ্যাকসিনের ব্যবহারের দিকনির্দেশনা তৈরি করেন ।

অ্যালার্জি ভ্যাকসিন কি : অ্যালার্জেন ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি এমন একটি পদ্ধতি যেখানে স্বল্পমাত্রা থেকে পর্যায়ক্রমে উচ্চতর মাত্রায় অ্যালার্জেন (যে অ্যালার্জেন দ্বারা রোগীর শরীরে উপসর্গ দেখা দেয়) অ্যালার্জিক ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করানো হয়, যাতে অ্যালার্জেনের সংবেদনশীলতা কমে। সংবেদনশীলতাই এর মূল লক্ষ্য।

কিভাবে কাজ করে : ১. রক্তের আইজিই (যা অ্যালার্জির জন্য মূলত দায়ী) তাকে ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয় । ২. রক্তে আইজিজি এর মাত্রা বাড়িয়ে দেয় যা অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে। ৩. মাস্ট সেল যা হিস্টামিন নিঃসরণ করে তা কমিয়ে দেয়। তাই সঠিক সময়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসা নিলে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

 

সূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন

চিকিৎসা পদ্ধতি : প্রথমত. অ্যালার্জি দ্রব্যাদি থেকে এড়িয়ে চলা, দ্বিতীয়ত. ওষুধ চিকিৎসা, তৃতীয়ত. ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি। প্রায় ৮০ বছর ধরে ভ্যাকসিন বিভিন্ন দেশে প্রচলিত এবং একেক দেশে একেকভাবে প্রয়োগ করা হয় এবং কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ছিল না, তাই ভ্যাকসিন বা অ্যালার্জেন ইমুনোথেরাপি ব্যবহারের দিকনির্দেশনা তৈরির জন্য ১৯৯৭ সালে ২৭ থেকে ২৯ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং বিশ্বব্যাপী অ্যালার্জি, হাঁপানি ও ইমুনোথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন সংস্থা একত্রিত হয়ে অ্যালার্জেনের বিরুদ্ধে প্রতিষেধকমূলক অ্যালার্জেন ইমুনো-থেরাপি বা ভ্যাকসিনের ব্যবহারের দিকনির্দেশনা তৈরি করেন ।

অ্যালার্জি ভ্যাকসিন কি : অ্যালার্জেন ভ্যাকসিন বা ইমুনোথেরাপি এমন একটি পদ্ধতি যেখানে স্বল্পমাত্রা থেকে পর্যায়ক্রমে উচ্চতর মাত্রায় অ্যালার্জেন (যে অ্যালার্জেন দ্বারা রোগীর শরীরে উপসর্গ দেখা দেয়) অ্যালার্জিক ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করানো হয়, যাতে অ্যালার্জেনের সংবেদনশীলতা কমে। সংবেদনশীলতাই এর মূল লক্ষ্য।

কিভাবে কাজ করে : ১. রক্তের আইজিই (যা অ্যালার্জির জন্য মূলত দায়ী) তাকে ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয় । ২. রক্তে আইজিজি এর মাত্রা বাড়িয়ে দেয় যা অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে। ৩. মাস্ট সেল যা হিস্টামিন নিঃসরণ করে তা কমিয়ে দেয়। তাই সঠিক সময়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসা নিলে এ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

- See more at: http://www.bd-pratidin.com/2013/06/22/2222#sthash.vqhWv28T.dpuf

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: শ্বাসতন্ত্রের জটিল তিন রোগ
Previous Health News: না খেলেই মোটা হবেন বেশি!

More in News

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... See details

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... See details

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... See details

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... See details

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... See details

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')