এফএও পুরস্কার পেল বাংলাদেশ
২২ জুন, ১৩
Posted By: Healthprior21
Viewed#: 77
দেশে চরম দারিদ্র্য মানুষের সংখ্যা কমছে উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) এক জরিপ মোতাবেক বাংলাদেশে চরম দারিদ্র্য জনসংখ্যা ১৯৯০-১৯৯২ সালের ৩৭ দশমিক ছয় ভাগ থেকে ২০১২ সালে ১৬ দশমিক আট ভাগে কমে এসেছে। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অনুযায়ী ২০১৫ সালে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার কথা ছিল। কিন্তু তিন বছর আগেই বাংলাদেশ তা অর্জন করেছে। এখন বাংলাদেশের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সকল নাগরিকের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য, গত ১৬ জুন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দারিদ্র্য ও অপুষ্টি দূর করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করায় এফএও বাংলাদেশকে বিশেষভাবে পুরস্কৃত করেছে। এফএও'র সদর দপ্তর রোমে সংস্থাটির ৩৮তম কনফারেন্সে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এফএও'র মহাপরিচালক হোসে গ্রাজিয়ানো ডি সিলভার কাছ থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।
বৃহস্পতিবার তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এ উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তার বিষয় আজ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে। ২০০৯ সালে যেখানে একজন দিনমজুর দিনের আয় দিয়ে সাড়ে চার কেজি চাল কিনতে পারতো। এখন একজন দিন মজুর দিনের আয় দিয়ে প্রায় সাড়ে আট কেজি চাল কিনতে পারে। এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের ফসলের বাম্পার ফলন হলেও গুদাম সঙ্কটের কারণে ফসলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রান্তিক চাষীরা। তবে গুদামের ধারণক্ষমতা বাড়াতে পারলে এ সঙ্কট অনেকটা দূর হবে।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতিবছর ৩ কোটি ৪০ লাখ টন খাদ্যশস্য উত্পাদিত হচ্ছে। কিন্তু সরকার মাত্র ১৪ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুদ রাখতে পারছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় কম। চলতি বছরের মধ্যেই মজুদ ক্ষমতা ১৯ লাখ টনে উন্নীত হবে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় আরো ১০ লাখ টন ক্ষমতার মজুদাগার নির্মাণের আলোচনা চলছে।
সূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক