প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর। সে লক্ষ্য সামনে রেখে তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
দেশের এযাবৎকালের বৃহত্তম টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আদর করে শিশুদের তাঁর কোলে বসিয়ে টিকা দিয়ে শিশুদের টিকা নিতে উৎসাহিত করেন। খবর বাসসের।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সেফায়েতুল্লাহ, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহমুদ হাসান ও মহাসচিব ইকবাল আর্সলান উপস্থিত ছিলেন।
টিকাদান ক্যাম্পেইন সফল করতে সবার সহযোগিতা কামনা করে টিকা গ্রহণে নিজের সন্তানের পাশাপাশি অন্যদেরও উৎসাহিত করতে বাবা-মা, অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনাদের দেখতে হবে, যেন একটি শিশুও এ কর্মসূচির বাইরে না থাকে।’
জাতীয়ভাবে এ কর্মসূচির লক্ষ্য হচ্ছে হাম-রুবেলা রোগ নির্মূলের পাশাপাশি দেশের পোলিওমুক্ত অবস্থান ধরে রাখা। বাংলাদেশকে ২০০৬ সালে পোলিওমুক্ত ঘোষণা করা হয়।
শেখ হাসিনাকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন: শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ নাজিব-বিন তুন হাজি আবদুল রাজাক গতকাল তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী এক অভিনন্দন বার্তায় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। বাসস।
সূত্র - প্রথম আলো

