শীতকালে সাধারণত অনেকের শ্বাসকষ্টসহ অ্যাজমার সমস্যা বেড়ে যায়। অ্যাজমা বেড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ক্রিমও কখনো কখনো বড় কারণ হয়ে ওঠে। সে কারণে শীতকালে ক্রিম ব্যবহারে সতর্ক থাকা জরুরি।
কারণ কিছু ক্রিমে এমন কিছু রাসায়নিক উপাদান থাকে যা অ্যাজমা বাড়িয়ে দিতে পারে। এমনকি অ্যালার্জির জন্যও এসব ক্রিম স্পর্শকাতর হয়ে উঠতে পারে।
ক্রিমে সাধারণত ময়েশ্চারাইজার, সানস্ক্রিণ, কোল্ড ও ভ্যানিশিং ক্রিমে মেথিলিসোথায়া জোলিনন (এমআই বা এমআইটি) নামক রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়। এসব রাসায়নিকের কারণে বড় ধরনের অ্যালার্জিজনিত প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা ক্রিমে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া তৈরিতে সহায়ক এসব রাসায়নিক উপাদানযুক্ত ক্রিমের কথা স্বীকার করেছেন এভরিডে হেল্থ।
সম্প্রতি এ ধরনের রাসায়নিকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন ইউরোপের কসমেটিকস ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন। এ সংগঠনের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের পণ্যে বিশেষ করে ত্বকে ব্যবহারের জন্য পণ্যে ওই রাসায়নিক ব্যবহার না করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
সংগঠনটি জানায়, ক্রেতার নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ঠোঁটে লিপস্টিক ব্যবহারের ক্ষেত্রেও বেশ সতর্ক হওয়া জরুরি। কারণ লিপস্টিকেও এমনি মারাত্মক রাসায়নিকের মিশ্রণ থাকে। যেটি ঠোঁটের প্রদাহের কারণ হতে পারে।
বাজারে এমনো লিপস্টিক থাকতে পারে, যাতে ফ্লোরাইড বা জিংক সল্ট থাকে। এসব কিন্তু আপনার ত্বকে অ্যালার্জি বা প্রদাহ সৃষ্টির কারণ হতে পারে। কাপড়কে রঙিন, শক্ত আর চকচকে করতে এক ধরনের পদার্থ ব্যবহার করা হয়, যা ঘাম আর গরমে দ্রবীভূত হয়ে ত্বকে লাগলে ত্বকে প্রদাহ বা অ্যালার্জির সৃষ্টি হতে পারে।
রঙ ফর্সাকারী ক্রিম ব্যবহারে মুখের ত্বকের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে অহরহ যেতে হয় অনেককে। বাজারে প্রচলিত কোন কোন ক্রিমে মার্কারি বা পারদও থাকে। এগুলো শুধু ত্বকের ক্ষতিই করে না, ক্যান্সারের কারণও হতে পারে।
তাই এমন ক্রিম থেকে সাবধান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেকোন ক্রিম সংগ্রহের আগে এসব কিছু জেনে রাখাটা জরুরি।
সূত্র - poriborton.com

