home top banner

খবর

অ্যালঝেইমার্সের উৎস চিহ্নিত করলেন বিজ্ঞানীরা
৩০ ডিসেম্বর, ১৩
Tagged In:  alzheimer   Posted By:   Healthprior21
  Viewed#:   52

মস্তিষ্কের অপ্রতিরোধ্য রোগ অ্যালঝেইমার্স মূলত মানুষের স্মৃতিতে থাবা বসায়। সম্প্রতি এর আদি উৎসস্থলটি চিহ্নিত করতে পেরেছেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি মেডিক্যাল সেন্টারের (সিইউএমসি) একদল বিজ্ঞানী। এ আবিষ্কারের ফলে রোগের প্রকোপ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে বলেও আশা করছেন তারা।

বিশেষজ্ঞরা অবশ্য জানাচ্ছেন, অ্যালঝেইমার্সের উৎসস্থল হিসেবে মস্তিষ্কের দু’টি এলাকা ইতিমধ্যেই চিহ্নিত হয়েছে। আর তা হল ‘হিপোক্যাম্পাস’ এবং সংলগ্ন ‘এন্টোরাইনাল কর্টেক্স’। এগুলো ঠিক কোথায়? আসলে, মানবমস্তিষ্ককে বেশ কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করেন বিজ্ঞানীরা। এর মধ্যে সামনের ভাগটির মূল অংশ যা কি না সেরিব্রাল কর্টেক্স হিসেবে পরিচিত, সেটি দু’টি গোলার্ধ বা ‘হেমিস্ফিয়ারে’ বিভক্ত। এই দুই গোলার্ধের গভীরেই রয়েছে হিপোক্যাম্পাস এবং তার প্রতিবেশী এন্টোরাইনাল কর্টেক্স। যা কি না অ্যালঝেইমার্সের উৎসস্থল হিসেবে পরিচিত। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে আনন্দবাজার।

নতুন আবিষ্কার বিষয়ে গবেষকদলের অন্যতম সদস্য স্কট এ স্মল বলেন, ‘আমাদের গবেষণায় নিখুঁত ভাবে ধরা পড়েছে, এন্টোরাইনাল কর্টেক্সের ঠিক কোন অংশে এই রোগের উৎপত্তি।’ এই অংশকে ল্যাটারাল এন্টোরাইনাল কর্টেক্স বা এলইসি নামে অভিহিত করছেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, ‘নেচার নিউরোসায়েন্স’ জার্নালে প্রকাশিত এই গবেষণাপত্রে রোগের গতিপ্রকৃতিও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

এ গবেষণার জন্য গত তিন বছর ধরে ৯৬ জন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে পর্যবেক্ষণের আওতায় রেখেছিলেন তাঁরা। ওই ৯৬ জনের মধ্যে পরবর্তী কালে ১২ জনের ‘মাইল্ড অ্যালঝেইমার্স’ ধরা পড়ে। এ দিকে এফএমআরআই-এও দু’দলের মস্তিষ্কের সক্রিয়তার ফারাক স্পষ্ট হয়ে যায়। দেখা যায়, অ্যালঝেইমার্সে আক্রান্ত ওই বারো জনের প্রত্যেকেরই এলইসি অঞ্চলে রক্তপ্রবাহ সুস্থদের তুলনায় কম। আর তাতেই সিইউএমসি-র বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, এলইসি-ই অ্যালঝেইমার্সের আদি উৎসস্থল। এই রোগে এলইসি অঞ্চলের স্নায়ু ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। যা সংলগ্ন এলাকার স্নায়ুও ক্ষয় করে। সেই ক্ষয় আবার ছড়িয়ে যায় তার সংলগ্ন এলাকায়। গঠনগত দিক থেকে এলইসি-র প্রতিবেশী হিপোক্যাম্পাস ‘স্মৃতি সংরক্ষণের’ অন্যতম কেন্দ্র বলে ইতিমধ্যেই বিজ্ঞানীমহলে জনপ্রিয়। এ ক্ষেত্রে এলইসির স্নায়ুক্ষয়ের প্রভাব যদি হিপোক্যাম্পাসেও পড়ে, তা যে স্মৃতিভ্রংশ ঘটাবেই, তা প্রত্যাশিত। সিইউএমসি-র বিজ্ঞানীদের দাবি, এলইসি থেকে এ ভাবে ধীরে ধীরে গোটা মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়েএই রোগ।

স্নায়ুর এই ক্ষয়ের জন্য অন্যতম দু’টি খলনায়ককেও চিহ্নিত করা গিয়েছে বলে দাবি করেছেন সিইউএমসি-র বিজ্ঞানীদল। তাঁরা ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করে দেখেছেন, মস্তিষ্কে টাউ এবং এপিপি নামে দুই প্রোটিনের যৌথ আক্রমণই স্নায়ুর ক্ষয়ের মূল কারণ।

সূত্র - www.kalerkantho.com

 

Please Login to comment and favorite this News
Next Health News: রসুনের কেরামতি
Previous Health News: মস্তিষ্কের আমূল পরিবর্তন ঘটাতে পারে একটি বই!

আরও খবর

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় অ্যান্টিবায়োটিক!

সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে, কম বয়সে অ্যান্টিবায়োটিক খেলে পরবর্তী ক্ষেত্রে মানব শরীর বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম থাকে৷ কলোম্বিয়ার ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যায়লের এ গবেষণা অনুযায়ী, অন্ত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিরাজ করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাস্থ্যকর রাখে৷ কিন্তু... আরও দেখুন

ঢাবিতে মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ ও বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে  ‘Mental Health Gap in Bangladesh: Resources and Response’ শীর্ষক চার দিনের চতুর্থ মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন  হয়েছে। বুধবার ঢাকা... আরও দেখুন

৯টি ভয়ংকর সত্যি, যা আপনাকে ডাক্তাররা জানান না!

অনেক সময় কোনো ওষুধ একটি রোগ সারিয়ে তুললে, সেই ওষুধই অন্য একটি অসুখকে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখে। এমনকি এক্স রে রশ্মিও আমাদের শরীরে ক্যান্সারের মতো মারণ রোগের জন্ম দেয়। ওষুধের প্রভাবে কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে ১. ওষুধে ডায়াবিটিস বাড়তে পারে: সাধারণত ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবিটিস হয়।... আরও দেখুন

প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা হর্নি গোটউইড

চীনের একটি গাছের নাম হর্নি গোটউইড। এই গাছ থেকেই অদূর ভবিষ্যতে সস্তায় মিলবে ভায়াগ্রার বিকল্প ওষুধ। পুরুষাঙ্গকে দৃঢ়তা প্রদানের জন্য যে যৌগটি দরকার, সেই আইকারিন প্রচুর পরিমাণে রয়েছে হর্নি গোটউইডে। এই উপদানটিকে প্রকৃতিক ভায়াগ্রা হিসেবে শনাক্ত করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষক ডা. মারিও ডেল... আরও দেখুন

ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি দেবে ‘সোনা’

ব্রেন ক্যানসার চিকিৎসায় এবার ব্যবহৃত হবে সোনা৷ কারণ সোনা নাকি ব্রেন ক্যানসার থেকে মুক্তি  দিতে পারে৷ বিজ্ঞান পত্রিকা ন্যানোস্কেল অনুযায়ী, ব্রেন ক্যানসারের  চিকিৎসার সোনার একটি অতি সুক্ষ টুকরো সাহায্যকারী প্রমাণিত হতে পারে৷ বৈজ্ঞানিকরা একটি সোনার টুকরোকে গোলাকৃতি করে... আরও দেখুন

যৌবন ধরে রাখতে অশ্বগন্ধা

বাতের ব্যথা, অনিদ্রা থেকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা। এ সবের নিরাময়ে অশ্বগন্ধার বিকল্প নেই। তেমনটাই তো বলেন বিশেষজ্ঞরা। এমনকি যৌবন ধরে রাখতেও অশ্বগন্ধার উপকারিতা অনস্বীকার্য। ত্বকের সমস্যাতেও দারুণ কাজ দেয় অশ্বগন্ধার ভেষজ গুণ। বিদেশেও এর চাহিদা ব্যাপক। সে কারণেই অশ্বগন্ধা চাষ অত্যন্ত লাভজনক।... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')