গত ১০ বছরে টেসটেসটেরন হরমোনের ব্যবহার তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে টেসটেসটেরন ব্যবহারের হার ছিলো শূন্য দশমিক ৮১ ভাগ। ২০১১ সালে শতকরা ৩ ভাগ লোক টেসটেসটেরন হরমোন ব্যবহার করছে। আর পুরুষ হরমোন নামের এই টেসটেসটেরন ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন চল্লিশোর্ধ পুরুষ। পুরুষরা কেন অযথা টেসটেসটেরনের দিকে ঝুঁকছেন তা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় পড়ছেন বিশেষজ্ঞগণ। এই হরমোনের ব্যবহার বাড়লেও এ ধরনের হরমোন সেবন ও হরমোন ইনজেকশনে আদৌ কোন উপকার হয় কিনা তা নিয়েও রয়েছে যথেষ্ট সন্দেহ। এ ব্যাপারে স্ট্যাডি গবেষক টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিভেনটিভ মেডিসিনের সহযোগী অধ্যাপক ড. জ্যাকয়েস বেইলারগিওন মনে করেন, যাদের রক্তে এই বিশেষ হরমোনটি কম তাদের চিকিত্সায় এই হরমোন ব্যবহার হচ্ছে। পুরুষের ধারণা, এই হরমোন বেশি থাকলে তাদের শারীরিক ক্ষমতা বাড়ে এবং পেশী হয় মজবুত। তবে গবেষণায় প্রতীয়মান হয়েছে অনেক ক্ষেত্রে টেসটেসটেরন হরমোন সেবনে বন্ধ্যাত্ব তৈরি হতে পারে এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। তবে প্রকৃত অর্থে যদি টেসটেসটেরন হরমোন হরাসের কারণে শারীরিক সমস্যা হয় তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে। এ ব্যাপারে নিউইয়র্কের লিনক্স হিল হসপিটালের ইউরোলজিস্ট ড. এলি লিজা উল্লেখ করেছেন, শুধু লো টেসটেসটেরনের কারণেই যে শারীরিক ক্ষমতা হরাস পায় তাই নয়, অতিরিক্ত মানসিক চাপ থেকেও সমস্যা হতে পারে। আর এ ক্ষেত্রে হরমোন নয়, বরং সংশ্লিষ্ট ওষুধ সেবনই ভালো। তাই অকারণে টেসটেসটেরন হরমোন সেবন করা উচিত নয়।

