দৈনন্দিন জীবনে অনেকেই পায়ের দুর্গন্ধ নিয়ে বিব্রত থাকেন। জুতা-মোজা পরলে পা ঘামে আর সেই ঘাম খেয়ে দুর্গন্ধ তৈরী করে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। ঘাম খেয়ে ব্যাকটেরিয়াগুলো অর্গানিক এসিড নিঃসরণ করে। এই অর্গানিক এসিডই দুর্গন্ধের জন্য দায়ী। কেউ কেউ এটাকে খুব সিরিয়াসলি নেন আবার কেউ কেউ তেমন কোন গুরুত্বই দেন না। ডাক্তার কিংবা বিশেষজ্ঞরা অবশ্য এই ধরনের অস্বস্তিকর অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে বিভিন্ন ধরনের উপায় বা পদ্ধতি বাতলে দেন। একটু সচেতন হলে আর সেইসব পদ্ধতি অনুসরন করলে সহজেই আমরা বিব্রত হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে পারি। এর থেকে মুক্তি পেতে আপনাকে যা যা করতে হবেঃ
ü প্রতিদিন ঘরে ফিরে এন্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান দিয়ে ভাল করে পা ধুয়ে ফেলুন। ধোয়ার পর অবশ্যই তোয়ালে বা পরিস্কার কাপড় দিয়ে পায়ের পানি মুছে ফেলুন।
ü প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন। পর্যাপ্ত পানি দেহের দুর্গন্ধ দূর করতে সহায়তা করে।
ü সিনথেটিক মোজা পরিহার করুন আর সূতি মোজা পরিধান করুন। মোজা পরার পূর্বে খেয়াল রাখুন যে আপনার পা দু’টো শুকনো আছে কি না।
ü প্রয়োজনে পা ও জুতায় দুর্গন্ধনাশক স্প্রে করা যেতে পারে।
ü একনাগাড়ে দু’দিনের বেশি একই জুতা বা একই মোজা পরিধান করা উচিত নয়।
ü জুতা, স্নিকারস ইত্যাদি মাঝে মাঝে রোদে দিতে হবে।
ü মাঝে মাঝে সকালে ও বিকালে কিছুক্ষনের জন্য খালি পায়ে কিংবা স্যান্ডেল পায়ে হাটাহাটি করা।
ü তীব্র দুর্গন্ধ হলে ‘গ্রীন টি’ এ ফোটানো পানি দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন।
ü কয়েক চা-চামচ ভিনেগার আর বেকিং সোডা ভিজানো পানিতে দু’পা কিছুক্ষন ভিজিয়ে রাখুন।
ü দিনে একবার কিংবা দু’বার পায়ে ফুট পাউডার ব্যবহার করা যেতে পারে।
ü প্রাকৃতিক ডিওডোরান্ট হিসাবে শালগম বা মূলার রস দিয়ে পা মালিশ করলে পায়ের দুর্গন্ধ দূর হয়। এক্ষেত্রে আদার রসও ব্যবহার করা যেতে পারে।
‘হেলথি লিভিং’ অবলম্বনে হেলথ প্রায়র ২১।

