
প্রতিদিন তেতো সবজি—করলা,পাটশা
ক খাবারে রুচি বাড়ায় ও মেদ বৃদ্ধির
আশঙ্কা কমায়। অনেক সময় নিমগাছের
কচি পাতা ভেজেও খাওয়া হয়।
এতে ত্বকের চুলকানি ও
কৃমি রোধে উপকার পাওয়া যায়।
খেতে বসে প্রথম ডিশ
হিসেবে যদি তেতো খাওয়া হয়,
তাহলে সেটা মুখে লালা ক্ষরণ
করে শ্বেতসারকে ভাঙতে সাহায্য করে।
এতে হজমের সুবিধা হয় ও লিভারও
ভালো থাকে।
আলু ও টমেটোতে প্যান্টোথেনিক
এসিড আছে বলে হাতের তালু
এবং পায়ের তালু জ্বালা করার উপসর্গ
থেকে রেহাই পাওয়া যায়। আবার
ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার চাটনি এক
মাস খেলেও উপকার পাওয়া যাবে।
গাঢ় সবুজ ও হলুদ শাক-
সবজি রাতকানা রোগ, হাড় ও দাঁত
গঠনে এবং স্নায়ুবিক অসুস্থতায় বেশ
উপকারী। পালংশাক, বাঁধাকপি,
ফুলকপি রক্তে প্রোথ্রোথিন
তৈরি হতে সাহায্য করে।
শিম, মটরশুঁটি, বরবটি, পালংশাক,
ফুলকপি ইত্যাদিতে পিউরিন
বেশি থাকে বলে গেঁটেবাত হলে অবশ্যই
বর্জন করা উচিত। আবার ওল, বেগুন
খেলেও আমবাতের প্রকোপ বাড়ে।
অজীর্ণ ও ডায়রিয়া হলে সবজি বর্জন
করা উচিত। বিশেষ করে আঁশযুক্ত
সবজি। কারণ, সেলুলোজ দুষ্পাচ্য
বলে হজমের ব্যাঘাত ঘটায়।
বাঁধাকপি, মুলা, শিম, শাক,
মটরশুঁটি পরিপাকে অসুবিধা হয়
বলে গ্যাসট্রাইটিস বেড়ে যায়।
আলসারের রোগীদের
খাবারে কাঁচা সবজি, পেঁয়াজ, বাঁধাকপি,
ডাঁটা, কাঁচামরিচ, কাঁচা শসা,
বরবটি বাদ দিলে ভালো হয়।
সুতরাং সবজি শুধু স্বাদ ও পুষ্টির
জন্য নয়। এর
বিষয়ে ভালোভাবে জেনে শরীরের
প্রয়োজন-অপ্রয়োজনের
সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তবেই
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এর স্থান
দিতে হবে।

