বিয়ের কয়েক বছর পরই দাম্পত্য জীবন ফিকে হতে থাকে। সর্ম্পকে সমস্যা যাই হোক, তা আলোচনা বা কথোপকথনের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। কিন্তু, কথোপকথনেআপত্তি থাকলে তাহলে ছোট খাট মান অভিমানও ঝগড়ায় রূপ নেয়।
অনেকেই চুপথাকাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন। কিন্তু, সব ব্যাপারে নীরবতা ভবিষ্যতেঝড়ের পূর্বাভাস নিয়ে আসে। বিভিন্ন গবেষণা প্রমাণ করে যোগাযোগের অভাবেরকারণে হার্টেও সমস্যাও হতে পারে। পারস্পরিক যোগাযোগের অভাবে পরস্পরের প্রতিঅসহনীয়তাও বৃদ্ধি পায়। বাড়ে দূরত্ব।
সঙ্গীর সাথে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে মান অভিমান, সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি মানসিক শান্তিও আসে।
দাম্পত্য জীবন সুন্দর করার কিছু শর্ত:
নিজেদের মধ্যে কথোপকথন : সঙ্গীর সাথে সকল বিষয়ে কথা বলুন। তার সাথে সারাদিনে ঘটেযাওয়া বিষয়গুলো শেয়ার করুন। যদি কোন বিষয়ে মনে কষ্ট পেয়েও থাকেন, তা সরাসরিসঙ্গীকে বলুন। মনে চেপে রাখবেন না। তবে অবশ্যই সকলের সামনে নয়।
কমিটমেন্ট: যেকোন সর্ম্পকে একে অপরের প্রতি কমিটেড থাকাটা খুব জরুরি।
সঙ্গীর প্রতি ভালবাসার প্রকাশ করুন : সমস্ত রাগ অভিমানের উর্ধ্বে গিয়ে সঙ্গীকেভালবাসুন। তাকে বুঝতে দিন আপনি তাকে কতটা ভালবাসেন। সঙ্গীর যতœ নিন। খাবার, কাজ, বিশ্রাম, সকল বিষয়ে যতœশীল হোন।
প্রশংসা করুন: আপনার সঙ্গীর প্রতিটি ছোট বড় কাজের প্রশংসা করুন।
প্রত্যেকেই চাই প্রিয়জনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক স্থায়ী এবং মধুর হোক। তবে এজন্যদুজনকেই উদ্যোগী হতে হবে। সমস্যা নিয়ে চুপ থাকা কোনো সঠিক পদক্ষেপ নয়।
কোনোকারণে যদি কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেন, তবে এসএমএস অথবা ফেসবুকের সাহায্যনিতে পারেন। সর্ম্পকে শীতলতা ভেঙ্গে না হয় আপনিই সন্ধির হাত বাড়ান।
সূত্র - রিজিং বিডি

