home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

ঝকঝকে দাঁত ঝলমলে হাসি
০৭ নভেম্বর, ১৩
Tagged In:  teeth whitening  
  Viewed#:   229

শিশুর বয়স ছয় মাস পেরোলেই, দাঁতহীন মাড়ি দিয়ে সে সবকিছু কামড়ে দিতে চায়।আচরণেই বোঝা যায়, শিশুর নতুন দাঁত উঠছে। দাঁত নিচের মাড়িতেই সাধারণত প্রথমদেখা যায়।

শিশুর মুখে প্রথম দাঁত ওঠার সময় ছয় মাস বলা হলেও ঠিক ওই সময়েযে দাঁত দেখা যাবে এমনটা কিন্তু না-ও হতে পারে। যখন শিশুর বয়স দুই থেকেআড়াই বছর হবে তখন তার মুখে থাকবে মোট ২০টি দাঁত। এ দাঁতগুলোর যত্ন নিতে হবেপ্রথম থেকেই। আবার ১২ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে সব দাঁত পড়ে নতুন স্থায়ী দাঁতজায়গা করে নেয়। কেমন করে শিশুর দুধ দাঁত আর স্থায়ী দাঁতের যত্ন নিতে হবে, জেনে নিন তার আদ্যোপান্ত।

যত্ন নিতে হবে দাঁত ওঠার আগে থেকেই। প্রতিবার খাওয়ার পর ভেজা কাপড় দিয়ে দাঁতহীন মাড়ি মুছে দিন।

যখন মুখে দাঁত দেখা যাবে, শিশুদের জন্য তৈরি বিশেষ টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করে দিতে হবে দুই বেলা।

শিশুদের উপযোগী টুথপেস্ট ব্যবহার করুন।

খেয়াল রাখতে হবে, শিশু যেন পেস্টের সবটাই গিলে না ফেলে। তাই ব্রাশে পেস্ট লাগাতে হবে খুব অল্প করে।

খাবারের তালিকায় অতিরিক্ত চিনি যুক্ত খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। আর খাওয়াতে হলে, খাওয়া শেষে মুখ ধুয়ে দিন।

আস্তে-ধীরে বোতলে করে খাবার খাওয়ানোর অভ্যাস পরিবর্তন করে নিন। বোতল অনেকক্ষণ ধরে দাঁতের সংস্পর্শে থাকলে দাঁতে ক্ষয় (ক্যারিজ) হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

কোমল পানীয় শিশুর দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। একদমই খাওয়ানো উচিত নয়।

দুধ দাঁত কোনো দুর্ঘটনায় পড়ে গেলে আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।প্রয়োজনে খোলা পরা যায় এমন কৃত্রিম দাঁত লাগিয়ে নিতে পারেন, তাতে পাশের দাঁতগুলো হেলে পড়ার অশঙ্কা কমবে।

দুধ দাঁত নড়তে শুরু করলে, চাইলে বাড়িতে বসেই ফেলে দিতে পারেন সেটি, সে ক্ষেত্রে নড়া দাঁতটির চারধারে অবশ করা জেল দিয়ে, দাঁতটি ফেলে দিলে শিশু একদমই ব্যথা পাবে না।

নড়া দাঁত বেশি দিন মুখে রাখা ঠিক নয়, সে ক্ষেত্রে স্থায়ী দাঁত বাঁকা হয়ে উঠতে পারে।

শিশুকে নিয়মিত শাকসবজি ও তাজা ফলমূল খাওয়ান, দাঁতের জন্য যেমন ভালো, শরীরের জন্য ভালো তো বটেই।

শিশুর বয়স যখন এক বছর পূর্ণ হবে, তাকে অবশ্যই দন্ত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। তাঁর কাছ থেকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জেনে নিন শিশুর উপযোগী খাদ্য তালিকা, নিয়ম মেনে দাঁত ব্রাশ করার পদ্ধতি, আর কেমন করে ফ্লোরাইড দাঁতের উপকার কিংবা ক্ষতি করে সেটি।

সূত্র - প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ত্বকের আর্দ্রতায়...
Previous Health Tips: খুশকি মুক্ত ঝলমলে চুল

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')