
মহালয়া চলে গেল। ঢাকের বাড়ির আওয়াজ যতঘনিয়ে আসছে ততই যেন রূপসচেতন তরুণীরা পূজার সাজের পরিকল্পনা ঝালিয়েনিচ্ছেন। এদিকে কখনও রোদ আর কখনও বৃষ্টি নগরীতে ভর করেছে নতুনরূপে। পূজারসাজ নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন বিউটি সেলুন রেড’র কর্ণধার এবং রূপ বিশেষজ্ঞআফরোজা পারভিন। লিখেছেন আসিফ আদনান
দিনের সাজের রীতিনীতি:
দিনেরসাজটা হালকা হলেই ভালো। ত্বকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে মুখে, গলায় ও ঘাড়েহালকা ফাউন্ডেশন লাগিয়ে নিন। এর ওপর আলতো করে পাউডার এবং সামান্য বেজকম্প্যাক্ট বুলিয়ে নিন। চোখের পুরোটা পাতায় আইশ্যাডো লাগান।
চোখেরওপরের পাতায় আইলাইনার দিয়ে লাইন টেনে নিন। দুই গালে ব্লাসন বুলিয়ে দিন।পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে লিপস্টিক বা লিপস্টিকের বদলে লাগান লিপগ্লস।আগেই চুল সেট করে নিন। বড় চুলে খোঁপা করে ফুল দিতে পারেন। আর ছোট চুল হলেব্লো ডাই করে খুলে রাখুন।
রাতের জমকালো সাজ:
রাতেবাইরে যাওয়ার সময় জমকালো সাজই ভালো। বেছে নিতে পারেন চওড়া পাড়ের কাতানশাড়ি। সঙ্গে সোনা বা রুপার গয়না। হাতভর্তি চুড়ি। মুখ ক্লিন করে টোনিংকরে নিতে পারেন।
ওয়াটার বেজড ফাউন্ডেশন ভালোভাবে মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এর ওপরে কম্প্যাক্ট পাউডার দিন।
শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে চোখে গাঢ় রঙের শ্যাডো লাগিয়ে নিন। চোখের নিচেকাজল দিন। চোখের ওপরের পাতায় আইলাইনার দিয়ে মোটা করে লাইন টেনে নিন।দুইবার করে মাশকারা লাগান। ঠোঁট এঁকে গাঢ় রঙের লিপস্টিক লাগিয়ে নিন।
শাড়ি পরলে মানানসই টিপ লাগিয়ে নিতে পারেন। পূজা দেখার সময় অনেক হাঁটতে হয়, তাই সাজের সঙ্গে মিলিয়ে আরামদায়ক স্যান্ডেল পরুন।
পূজায় ছেলেরা পাঞ্জাবি এবং ধুতি পরতে পারেন। সঙ্গে কলাপুরি জুতা। ইচ্ছা করলে কপালে চন্দনের তিলক পরুন।
চুলের সাজ:
পূজার সকাল থেকেরাত পর্যন্ত পোশাকের ধরনের সঙ্গে মিলিয়ে হওয়া চাই চুলের সাজ। যেমন-অষ্টমীর অঞ্জলি দেয়ার সময় শাড়ির সঙ্গে মানাবে ঘাড়ের কাছে আলগাহাতখোঁপা।
কিন্তু খোঁপায় যদি সাদা রঙের গাজরার মালা বা বেলি ফুলের মালা না থাকে, তাহলে পুরো সাজটাই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
আবার নবমী ও দশমীর দিনে বা রাতের পার্টিতে গর্জিয়াস কাতান শাড়ি যদি পরেন, তাহলে চুলে হালকা কার্ল বা খোঁপাও করে নিতে পারেন।
সূত্র - poriborton.com

