
সারাদিন অফিস বা বাড়ির কাজ শেষে ব্যায়ামের পেছনে বাড়তি সময় দেওয়ার সুযোগ পান না অনেকেই। ফলে ব্যায়ামটা প্রতিদিন করা হয় না। আপনি চাইলে বাড়িতেই ছোটখাটো একটি ব্যায়ামাগার তৈরি করতে পারেন।
যন্ত্রাদির সমাহার
আপনি যখন প্রশিক্ষণ নিতে শুরু করবেন তখন ছোট আকারের যন্ত্র হলেই সুবিধা হয়। পুশ আপের জন্য ম্যাট হলে ভাল হয়। বাকিগুলো স্ট্রেচিং এবং ইয়োগার জন্য থাকবে। কার্ডিওর জন্য ছোট আকারের ট্রেডমিল অথবা স্টেপার কিনে নিতে পারেন। সেইসাথে ফিটনেস বল আর ডাম্বেলও যোগ হতে পারে।
ঘরের সাজে ফিট
বাড়িঘর সাধারণত পেশাদার ব্যায়ামাগারের তুলনায় ছোট হয়। তাই অন্তত নিজের ব্যায়ামাগারটাকে বড় দেখাতে দেয়ালে আয়না যোগ করতে পারেন। এতে করে আপনার ঘর বেশ বড় দেখাবে। শুধু তাই নয় আপনার শারীরিক নড়চড়া কতটা ঠিক অথবা ভুল হচ্ছে সেটাও দেখে নিতে পারবেন এক নজরে। সবচেয়ে ভাল হয় মিউজিকের ব্যবস্থা থাকলে। তাতে আপনার মন প্রফুল্ল থাকবে।
সাধু, সাবধান
ব্যায়ামের জন্য পরীক্ষিত যন্ত্রাদি ব্যবহার করাটাই নিরাপদ। যন্ত্রপাতি কিনতে যাওয়ার সময় কোন জিম প্রশিক্ষককে নিয়ে যেতে পারেন। কারণ ত্রুটিপূর্ণ যন্ত্র ইনজুরির কারণ হতে পারে। আহত হওয়ার চেয়ে নিরাপদ থাকাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।
সূত্র - poriborton.com

