মিসক্যারেজ হওয়ার উপসর্গ কি কি ?
উত্তরঃ
প্রায় ১০ থেকে ২৫% প্রেগ্ন্যান্সিতে মিসক্যারেজ বা প্রেগন্যান্সির প্রাথমিক সময়ে ফেটাস লস হয়।
মিসক্যারেজ হওয়ার অনেক কারণ হতে পারে যেমন - ক্রোমোসোমাল সমস্যা, ট্রমা কিংবা
ইনফেকশান। মিসক্যারেজ হওয়ার উপসর্গ প্রেগন্যান্সির সময়ভেদে ভিন্ন হতে পারে। অনেক সময়
কোন মহিলা গর্ভবতী এটা বুঝার আগেই মিসক্যারেজ হয়ে যেতে পারে। কিন্তু প্রেগন্যান্সির সময়
যত বেশি পার হয় মিসক্যারেজ হওয়ার উপসর্গও ভিন্ন হয় যেমন – প্রচণ্ড পিঠে ব্যথা, ভারি স্পটিং,
যৌনাঙ্গে রক্তপাত, টিস্যুর নিঃসরণ, রক্ত জমাট বাঁধা, প্রচণ্ড পেটে ব্যথা এবং খিঁচুনি।
উপরের কোন রকমের উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হন।
ask.healthline.com, pregnancy.about.com
মিসক্যারেজ হওয়ার পর কি করা উচিত?
উত্তরঃ
মিসক্যারেজ হওয়ার পর প্রথমেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। চিকিৎসকের কাছে গেলে তিনি
মূলত এটা নিশ্চিত করেন যে মিসক্যারেজ হওয়ার পর শরীরের ভেতরে কোন অবশিষ্টাংশ থেকে
না যায়। এর থেকে শরীরের ভেতরে ইনফেকশান হতে পারে। এরপর আপনার প্রধান কাজ হবে
পূর্ণ বিশ্রামে থাকা।
মিসক্যারেজ হবার পর কি হয়?
উত্তরঃ
মিসক্যারেজ হবার পর চিকিৎসক মূলত ডিএন্ডসি করান। এই পদ্ধতিতে জরায়ুর ভেতর থেকে
সব টিস্যু পরিষ্কার করে আনা হয়। এর পর আপনার শরীর পুনরায় প্রি প্রেগন্যান্সি বা
প্রেগন্যান্ট হওয়ার আগের অবস্থায় চলে যায়।
মিসক্যারেজ কেন হয়?
উত্তরঃ
দুঃখজনক হলেও সত্য যে গড়ে ৪ টি প্রেগন্যান্সির ১ টির মিসক্যারেজ হয়ে যায়। অনেক সময় এমনও
হয় মহিলারা প্রেগন্যান্ট এটা বুঝে উঠার আগেই মিসক্যারেজ হয়ে যায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে
জেনেটিক অ্যাবনরমালিটি থেকে মিসক্যারেজ হয়, এতে ভ্রুন জরায়ুতে পূর্ণ শিশুতে পরিণত হতে
পারে না।

