home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

পরীক্ষার আগে বুক ধড়ফড়?
২২ অগাস্ট, ১৩
  Viewed#:   273

পরীক্ষার দিন সকালে উঠে দু-দুবার বমি। তার পর শুরুহলো বুক ধড়ফড়ানি আর জিব শুকিয়ে আসা। কয়েকবার পানি

খেয়েও লাভ হলো না। পরীক্ষার কেন্দ্রে গিয়ে যখন পৌঁছালেন, তখন রীতিমতো পা কাঁপছে। যা কিছুজানেন, এ

অবস্থায়তাও ভুলে যাচ্ছেন। এভাবে কী পরীক্ষা দেওয়া যায়?

উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। জীবনে নির্দিষ্ট মাত্রার উদ্বেগ প্রয়োজনীয়ও বটে। দুশ্চিন্তা

একেবারে না থাকলে কাজে উদ্যম থাকে না, লক্ষ্যপূরণের প্রস্তুতিও যথাযথ হয়না। পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বা চিন্তাই

যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়ার চালিকাশক্তি। পরীক্ষা নিয়ে যার কোনো ভাবনাই নেই, সে তো প্রস্তুতিই নেবে না

ঠিকভাবে। কিন্তুপরীক্ষার এই ভাবনা যখন স্বাভাবিকতার সীমা অতিক্রম করে চরম দুর্ভাবনা আর অতিরিক্ত

উদ্বেগে রূপ নেয়, মানসিক চাপ বিপর্যস্ত করে তোলে পরীক্ষার্থীকে, সেটা তখন নেতিবাচক। কোনো বিষয়ে

মাত্রাতিরিক্ত দুশ্চিন্তা যখন ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবনকে বাধাগ্রস্ত করে, তখন তা রোগের পর্যায়ে পড়ে।

উদ্বেগজনিত রোগ বা অ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত ব্যক্তির নানা শারীরিক-মানসিক উপসর্গ দেখা দেয়।

যেমন: মাথা ঘোরানো, মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, জিব শুকিয়ে যাওয়া, গিলতে কষ্ট হওয়া, ঘাড়ে ব্যথা,

শ্বাস নিতে কষ্ট, বুক ধড়ফড়করা, পেট ফাঁপা, বারবার প্রস্রাব হওয়া, বেশি ঘাম, নেতিবাচক চিন্তা, ভুলে যাওয়া,

অমনোযোগিতা, একই ভাবনার পুনরাবৃত্তি প্রভৃতি। দীর্ঘমেয়াদি উদ্বেগের কারণে শরীরের রোগ প্রতিরোধের

ক্ষমতা কমে যায়, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসসহ নানা সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

উদ্বেগের কারণগুলোকে হয়তো পুরোপুরি উপড়ে ফেলা সম্ভব নয়, কিন্তুএর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা

যেতে পারে। এ জন্য প্রয়োজন স্বাস্থ্যকর ও সুশৃঙ্খল জীবনযাপন। স্বাস্থ্যকর আহার করুন, প্রতিদিন হালকা

ব্যায়াম করুন। নিজের জন্য আলাদা কিছুটা সময়বরাদ্দ রাখুন। প্রিয়বা ভালো লাগা কোনো কাজে (যেমন: গান

শোনা, বই পড়া, বাগান পরিচর্যায়) সময়দিন। সামর্থ্য অনুযায়ী জীবনের লক্ষ্য স্থির করুন। অবাস্তব লক্ষ্যের

পেছনে ছুটবেন না। সব সময়অন্যের সঙ্গে নিজেকে বা সন্তান ও প্রিয়জনকে তুলনা করবেন না। দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক

করুন। নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে শিখুন। ধূমপান ও মাদকাসক্তি থেকে দূরে থাকুন। দুশ্চিন্তার সময়ে রিল্যাক্সেশন

বা শিথিলায়ন করতে পারেন। প্রচণ্ড কাজ বা চাপের মধ্যেও অবসর সময়বের করে উপভোগ করুন। কাছের মানুষের

সঙ্গ নিন। λ জাতীয়মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট।

সূত্র- প্রথম আলো

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: বাগদানই ভেঙে গেল...
Previous Health Tips: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে যার, নিরাপদ জীবন তার

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')