home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

ডাবের পানির কতগুন!
০৭ অগাস্ট, ১৩
  Viewed#:   410

গরমের সময়ে রোজা রেখে ইফতারিতে তেষ্টা মেটাতে আমরা কত আয়োজনই না করি? কখনো লেবুর শরবত, ফলের রস,  কখনো বা বাজার থেকে কিনে আনা পাউডার ড্রিঙ্কস। কিন্তু কখনো কি আমরা ডাবের পানি প্রতিদিন ইফতারিতে রাখার কথা ভেবেছি? ইফতারিতে অস্বাস্থ্যকর অনেক আইটেমে খরচ না করে স্বাস্থ্যকর ডাবের পানি কিনতে কিছু টাকা বরাদ্দ রাখুন। এখন হয়ত আপনার মনে প্রশ্ন জাগবে ডাবের পানির কি এত উপকারিতা? আসুন জেনে নিই ডাবের পানি তেষ্টা মেটানোর পাশপাশি আমাদের শরীরে আর কি কি উপকার করে?

- বাজারের ক্যানড ড্রিঙ্কস পান না করে প্রাকৃতিক কোন পানীয় হিসেবে ডাবের পানির কোন বিকল্প নেই।

- ডাবের পানিতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ অনেক কম। তাই এতে শরীরের গ্লুকোজ বেড়ে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না।

- ডাবের পানিতে থাকে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান পটাশিয়াম। যাদের বেশি শাক সবজি, ফলমূল খাওয়া হয় না তারা ডাবের পানি পান করে দেহের খনিজ উপাদানের চাহিদা মেটাতে পারেন।

-ডাবের পানিতে থাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স।

- ক্লান্ত শরীরে নিমিষেই শক্তি জোগাতে ডাবের পানির কোন বিকল্প হয় না।

-শরীরের ওজন কমাতেও ডাবের পানি সাহায্য করে। ডাবের পানির আইসোটোনিক গুনাগুণেরকারণে শরীরের মেটাবোলিজমের হার বেড়ে যায়, ফলে ওজন দ্রুত কমে আসে।

-ডাবের পানিতে থাকে সাইটোকিনিন এবং লরিক এসিড নামক উপাদান যা দেহের কানেক্টিভ টিস্যুকে সুস্থ রাখে। ফলে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে না। তাছাড়া এই উপাদানগুলো ত্বকে নতুন কোষ বৃদ্ধির হার বাড়িয়ে দেয়।

- প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক টুকরো তুলোয় ডাবের পানি নিয়ে ত্বকের ব্রণ এবং মুখের কালো দাগে লাগিয়ে ঘুমাতে যান। এই টিপসটি প্রতিদিন মেনে চললে ২ থেকে ৩ সপ্তাহে ব্রণসহ মুখের কালো দাগ দূর হয়।

-ডাবের পানির পটাশিয়াম শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে।

-পেটের নানা রকম সমস্যাকে দূরে রাখতে প্রতিদিন এক কাপ করে ডাবের পানি পান করুন।

-ডাব কাটার পর পানি খোলা অবস্থায় ফেলে রাখলে এর পুষ্টি উপাদান ধীরে ধীরে কমে আসে। তাই কাটার পর ফেলে না রেখে তাজা পানি পান করার অভ্যাস করুন।

-বেশিরভাগ মানুষের জন্যই ডাবের  পানি পান করা একদমই নিরাপদ। গর্ভবতী মহিলা, শিশু সবাই এই পানি পান করতে পারে।

- রোজা রাখলে অনেক সময় বুক জ্বালাপোড়া করে। বুকের জ্বালাপোড়া কমাতে ডাবের পানি অনেক উপকারী।

 

সূত্র - ইন্টারনেট

 

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: রমজানের বৈচিত্র্যময় ইফতার কি স্বাস্থ্য ঝুঁকি?
Previous Health Tips: 10 facts on breastfeeding

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')