
গরমের সময়ে রোজা রেখে ইফতারিতে তেষ্টা মেটাতে আমরা কত আয়োজনই না করি? কখনো লেবুর শরবত, ফলের রস, কখনো বা বাজার থেকে কিনে আনা পাউডার ড্রিঙ্কস। কিন্তু কখনো কি আমরা ডাবের পানি প্রতিদিন ইফতারিতে রাখার কথা ভেবেছি? ইফতারিতে অস্বাস্থ্যকর অনেক আইটেমে খরচ না করে স্বাস্থ্যকর ডাবের পানি কিনতে কিছু টাকা বরাদ্দ রাখুন। এখন হয়ত আপনার মনে প্রশ্ন জাগবে ডাবের পানির কি এত উপকারিতা? আসুন জেনে নিই ডাবের পানি তেষ্টা মেটানোর পাশপাশি আমাদের শরীরে আর কি কি উপকার করে?
- বাজারের ক্যানড ড্রিঙ্কস পান না করে প্রাকৃতিক কোন পানীয় হিসেবে ডাবের পানির কোন বিকল্প নেই।
- ডাবের পানিতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ অনেক কম। তাই এতে শরীরের গ্লুকোজ বেড়ে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকে না।
- ডাবের পানিতে থাকে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান পটাশিয়াম। যাদের বেশি শাক সবজি, ফলমূল খাওয়া হয় না তারা ডাবের পানি পান করে দেহের খনিজ উপাদানের চাহিদা মেটাতে পারেন।
-ডাবের পানিতে থাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স।
- ক্লান্ত শরীরে নিমিষেই শক্তি জোগাতে ডাবের পানির কোন বিকল্প হয় না।
-শরীরের ওজন কমাতেও ডাবের পানি সাহায্য করে। ডাবের পানির আইসোটোনিক গুনাগুণেরকারণে শরীরের মেটাবোলিজমের হার বেড়ে যায়, ফলে ওজন দ্রুত কমে আসে।
-ডাবের পানিতে থাকে সাইটোকিনিন এবং লরিক এসিড নামক উপাদান যা দেহের কানেক্টিভ টিস্যুকে সুস্থ রাখে। ফলে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ে না। তাছাড়া এই উপাদানগুলো ত্বকে নতুন কোষ বৃদ্ধির হার বাড়িয়ে দেয়।
- প্রতি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক টুকরো তুলোয় ডাবের পানি নিয়ে ত্বকের ব্রণ এবং মুখের কালো দাগে লাগিয়ে ঘুমাতে যান। এই টিপসটি প্রতিদিন মেনে চললে ২ থেকে ৩ সপ্তাহে ব্রণসহ মুখের কালো দাগ দূর হয়।
-ডাবের পানির পটাশিয়াম শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে।
-পেটের নানা রকম সমস্যাকে দূরে রাখতে প্রতিদিন এক কাপ করে ডাবের পানি পান করুন।
-ডাব কাটার পর পানি খোলা অবস্থায় ফেলে রাখলে এর পুষ্টি উপাদান ধীরে ধীরে কমে আসে। তাই কাটার পর ফেলে না রেখে তাজা পানি পান করার অভ্যাস করুন।
-বেশিরভাগ মানুষের জন্যই ডাবের পানি পান করা একদমই নিরাপদ। গর্ভবতী মহিলা, শিশু সবাই এই পানি পান করতে পারে।
- রোজা রাখলে অনেক সময় বুক জ্বালাপোড়া করে। বুকের জ্বালাপোড়া কমাতে ডাবের পানি অনেক উপকারী।
সূত্র - ইন্টারনেট

