
বই পড়ুন : বই পড়ার অভ্যাস করুন। এতে সময় কাটে, মন ভালো থাকে, জানার পরিধি তো বাড়েই। বই পড়ার অভ্যাস না থাকলে মনোযোগ দেওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। ভালোও লাগে না, তাই প্রথম দিকে অভ্যাস গড়ে তুলতে হালকা যে কোনো বই, ম্যাগাজিন পড়ার চেষ্টা করুন, সুবিধা হবে।
গান শুনুন : পছন্দমতো গান শোনার অভ্যাস করুন। সকালে কাজ সারতে সারতে গান শুনতে পারেন অথবা রাতে ঘুমানোর সময় গান শুনতে পারেন, আপনার সময় ও সুবিধার ওপর নির্ভর করবে কখন শুনবেন। হাসুন : হাসতে শিখুন, সবাই মিলে জোকস বলুন। হাসলে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়, রক্তনালি সবল থাকে, অ্যাবডমিনাল পেশি সুঠাম হয়, মন ভালো থাকে। মজার ছবি দেখুন।
মেডিটেশন করুন : সারাদিনের কাজের চাপে বিপর্যস্ত? দিনের শেষেও ঝেড়ে ফেলতে পারছেন না কাজের ভূত? তাহলে বাড়ি ফিরে গোসল সেরে প্রদীপ কিংবা মোমের শিখার দিকে তাকিয়ে থাকুন, এটা চাপমুক্তির একটা বড় কৌশল।
আত্দবিশ্বাসী হয়ে উঠুন : কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে আমি পারব না, আমার দ্বারা কিছু হবে না_ এসব ধারণা মনে আনবেন না। বরং মনে মনে বলুন আমি পারব। তারপর দেখবেন আপনি নিজেই পারছেন। নেতিবাচক ধারণা মনে পোষণ করে রাখা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
ক্ষমা করতে শিখুন : আমাদের পৃথিবীতে অনেক অসঙ্গতি আছে, থাকবে এবং এর ফলে মানুষও ভুল করবে। কেউ ভুল করলে তাকে ক্ষমা করে দিন এবং তাকে তার ভুল ধরিয়ে দিয়ে সংশোধন করে দিন। সবচেয়ে বড় কথা, মানসিক দূর চিন্তা এড়িয়ে চলুন। সদা হাসি খুশি থাকুন।
সূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন

