home top banner

স্বাস্থ্য টিপ

টিকাদান ভীতি
০৪ অগাস্ট, ১৩
  Viewed#:   144

টিকাদান বা আর যাই হোক ইনজেকশন দেবে শুনলে শিশু ভয়ে কাতর হয়ে পড়ে কিংবা রক্ত নিয়ে পরীক্ষা করানোর

কথা জানতে পারলে মুহূর্তেই মলিন বিধূর হয়। এসব অবস্থায় বাচ্চার ব্যথা লাঘবে কিংবা দুশ্চিন্তার পারদ নামিয়ে

আনতে কিছু ব্যবস্থা অবলম্বন করা যায়।

* শিশুর রাগ, হতাশা, ভয় হৃদয় দিয়ে অনুধাবন করতে হবে। ভয় নিয়ে সন্তানের সঙ্গে খোলা মনে কথা বলুন।

* শিশুকে টিকাদান, ইনজেকশন বা রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথা বুঝিয়ে বলুন। এতে যে তার কত মঙ্গল হবে

তা সম্যক জানিয়ে দিন। আর এসব করতে হবে থাকে যে স্কুলে কামাই করতে হবে না বা খেলাধুলা হতে বঞ্চিত করা

হবে না তাও বলে রাখুন।

* মনে রাখতে হবে শিশুর মঙ্গলের জন্য এ ইনজেকশন বা টেস্ট করাতেই হবে। এর কোনো দ্বিতীয় পন্থা নেই। এ

জন্য শিশু বিমর্ষ হয়ে পড়লে বা অসহযোগিতা করলেই এটি চালিয়ে যেতে হবে। তবে প্রতিবার ইনজেকশন দেওয়া বা

রক্ত টেস্টের সময় যদি যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে শিশুর ভয় লাঘবে চিকি সক কিংবা মনোরোগ

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ চাইতে পারেন।

ইনজেকশন বা রক্ত পরীক্ষায় করণীয় :

* পূর্ব প্রস্তুতি শিশু দেখার আগেই সুচ-সিরিঞ্জ ওষুধ খুব কম সময় নিয়ে সব প্রস্তুত করে রাখা।

* দ্রুত শেষ করা। অথচ শান্ত-নিখুঁতভাবে ইনজেকশন প্রয়োগ।

* একই স্থানে পর পর ইনজেকশন প্রয়োগ না করা।

* শিশুকে বুকের দুধ পানকালে ইনজেকশন দেওয়া হলে তা অনেক অস্বস্তি লাঘব হবে।

* ঘরের তাপমাত্রায় ইনসুলিন দিন এবং ইনজেকশন স্থানে অ্যালকোহল দ্রবণে মুছে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত

অপেক্ষা করুন।

* ইনজেকশন প্রয়োগের আগে ওই স্তান পাতলা কাপড়ে পেঁচানো বরফ লাগলে তা কিছুটা ব্যাথা নিরোধক হয়

* শিশুর মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নিতে ইনজেকশন দেওয়ার সময় গান ধরুন। মুখ-বাঁশি বাজান।

* শিশুর হাতে তুলে দিন নতুন খেলনা বা তার পছন্দনীয় কোন পুতুল।

* ইনজেকশন দেওয়ার পর শিশুকে কোনো স্টিকার বা খেলনা কিনে দিয়ে পুরস্কার করুন তবে কোনো খাবার বা

পানীয় পায়না মেটাবেন না।

* শিশু যখনই সহযোগিতা করবে তখনই মুক্ত কন্ঠে তার প্রশংসা করুন।

* ইনকেজশন প্রয়োগের পর শিশুর সঙ্গে খেলা করুন বা মজার ছবির বইয়ের পাতা ওল্টান।

* অন্য শিশু অথবা অভিভাবকরা ইনজেকশন বা টেস্ট নিয়ে কথা বললে তা তাকেও শুনতে দিন। তাহলে সে সাহস পাবে।

সূত্র - যায়যায়দিন

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: ঘামাচি থেকে রক্ষা পেতে
Previous Health Tips: শরীর সতেজ রাখতে সুইমিং

আরও স্বাস্থ্য টিপ

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... আরও দেখুন

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... আরও দেখুন

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... আরও দেখুন

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... আরও দেখুন

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... আরও দেখুন

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... আরও দেখুন

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')