home top banner

Health Tip

খাওয়ার আগে দুধের পরীক্ষা
22 May,14
Tagged In:  milk food  milk test  
  Viewed#:   289

Milk-Test

আজকাল আর ভেজাল ছাড়া খাবার পাওয়া যায়না৷ তা সে শরীরের জন্য যতই প্রয়োজনীয় হোক না কেন খাঁটি জিনিস খুঁজে পাওয়া প্রায় অসাধ্য৷ তেমন এই অপরিহার্য খাবার হল দুধ৷ কিন্তু কিছু অসৎ ব্যবসায়ী কিছু মুনাফার আশায় দুধে বিভিন্ন রাসায়নিক মিশিয়ে দেন৷ এই ধরনের রাসায়নিক যেমন দুধের গুণগতমান কমিয়ে দেয় তেমনই স্বাস্থ্যের জন্যেও এটি মারাত্মক৷ দুধে ব্যবহৃত আটা, চিনি, অ্যাসিড, ফরমালিন, মেলামিন, অ্যামোনিয়াম সালফেট সবই বিষাক্ত৷ দুধ ঘন ও বেশি দিন সংরক্ষণের কারণেই দুধে এগুলি ব্যবহার করা হয়৷ তবে সহজ কিছু পরীক্ষ করেই আপনি দেখে নিতে পারেন দুধে ভেজাল রয়েছে কিনা৷


দুধে ব্যাকটেরিয়ার মতো ক্ষতিকর জীবাণু থাকতে পারে৷ তবে কিছু উপকারি জীবাণুও থাকে৷ দুধে অতিমাত্রায় জীবাণু আছে কিনা তা জানতে মিথিলিনের সাহায্যে পরীক্ষা করতে পারেন৷ জীবাণুযুক্ত জলে এটি দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে এটি নীল বর্ণ ধারণ করে৷

দুধের চিনিকে ল্যাকটোজ বলা হয়৷ দুধের চর্বি উপাদানটি আমিষের সঙ্গে তুলনাযোগ্য৷ সুক্রোজ যোগ করলে দুধের কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেড়ে যায় ফলে এটি ঘন মনে হয়৷ পরীক্ষায় জন্য দুধে কিটোজmilk-test-tube সুগার দিন৷ চিনি থাকলে লাল রঙ দেখা যাবে৷

দুধে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে৷ এতে কার্বোহাইড্রেট দিযলে কঠিন উপাদানের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ফ্যাটের পরিমান কমে যায়৷ সেকরণেই দুধে অনেক সময় ময়দা দেয়া হয়৷ তাই ভেজাল শনাক্ত করতে আয়োডিনের দ্রবণ দিলে কালচে বর্ণ ধারণ করবে৷

স্যালিসাইলিক অ্যাসিড সাধারণত খাবারের কারখানার প্রিজারভেটিভ হিসেবে ব্যবহৃত হতে হয়৷ এটি সোগ করলে দুধ অনেকদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়৷ দুধের ভেজাল ধরতে ঘন সালফউরিক অ্যাসিড ও ফেরিক ক্লারইড ব্যবহার করুন৷ এর ফলে দুধে অ্যাসিড থাকলে কালো ও বেগুনী বর্ণ ধারন করবে৷

সাবান ব্যবহার করলে দুধে ফেনা হয়৷ ফেল দুধে প্রচুর সর পড়ে৷ কিন্তু সাবানের রাসায়নিকের ফলে পাকস্থলী ও কিডনি সহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যহানি হতে দেখা যায়৷ দুধে সাবান রয়েছে কিনা তা শনাক্ত করতে ফেনফথেলিন পরীক্ষা করতে পারেন৷ এটি অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে গোলাপী রঙ হয়৷

পচনশীল খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণের জন্য এ রাসায়নিক ব্যপকহারে ব্যবহৃত হয়েছে৷ কিন্তু ফরমানিল অতিমাত্রায় বিষাক্ত যা যকৃত ও কিডনি অকেজো করকে দিতে পারে৷ এই ফরমালিন সালফিউরিক অ্যাসিড এবং ফেরিক ক্লোরাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে নীলচে লাল রঙ হয়৷

সূত্র - natunbarta.com

Please Login to comment and favorite this Health Tip
Next Health Tips: আপনার প্রিয় কোমল পানীয়টি কী কী ক্ষতি করছে জানেন কি?
Previous Health Tips: নিজের আবেগ ও অনুভূতিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করবেন যেভাবে

More in Health Tip

গাইনি ডাক্তারের কাছে যে বিষয়গুলো কখনোই লুকাবেন না

মেয়েলী যে কোনো সমস্যা হলেই গাইনি ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হয়। আর গাইনি ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে অনেক নারীই কিছুটা দ্বিধাবোধ করেন। বিশেষ করে ডাক্তার যদি পুরুষ হয়ে থাকেন তাহলে অধিকাংশ সমস্যার কথাই জানাতে পারেন না নারীরা। গাইনি ডাক্তারের কাছে কিছু বিষয় লজ্জায় এড়িয়ে যান বেশিরভাগ রোগী। কিন্তু অত্যন্ত... See details

ত্বকের ক্লান্তি ভাব লুকাবেন যেভাবে

বেসরকারি ফার্মে চাকরি করেন অর্ষা। প্রায়ই বাসায় ফেরার পর তাকে রাত জেগে অফিসের কাজ করতে হয়। রাত জেগে কাজ করার ফলে ভালো ঘুম হয় না। তাই পরদিন সকালে অফিসে যাওয়ার পর খুবই ক্লান্তি লাগে তার। মাঝেমধ্যে এ বিষয় নিয়ে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। ঠিকমতো ঘুমের অভাবে চোখের নিচেও কালি পড়েছে। প্রায়ই অফিসের... See details

পেয়ারার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ছোট থেকে বড় সকলের কাছেই পেয়ারা খুবই প্রিয় একটি ফল৷ পেয়ারায় বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে, আর এই কারণেই এটি ‘সুপার ফ্রুট’ নামে পরিচিত৷ আপনিও জেনে নিন এই ‘সুপার ফ্রুট’এর গুণাগুণ৷ •    শরীরের অতিরিক্ত শর্করা শুষে নিতে পারে পেয়ারা৷ এছাড়াও এতে... See details

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা ও সহজ সমাধান

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি... See details

ওজন কমাতে রাতের বিশেষ খাবার ‘দই-ফল’

ওজনটা নিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে আছেন। ওজন যত সহজে বাড়ে তত সহজে কমে না। কঠিন ডায়েট চার্ট, দীর্ঘ সময় ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানোর কাজটাও খুবই কঠিন। তাই ওজন কমানোর ইচ্ছে থাকলেও কমানো হয়ে ওঠে না। যারা চট জলদি ওজন কমাতে চান একেবারে কষ্ট ছাড়াই তারা রাতের খাবারের মেন্যুটা একটু বদলে ফেলুন। রাতের খাবারে অন্য সব... See details

ডিম খাওয়ার লাভ-লোকসান!

ট্রেন কিংবা বাস স্টেশনে, লঞ্চঘাটে, স্টেডিয়ামে, হাট-বাজারে এখনো শোনা যায় ফেরিওয়ালার ডাক—‘এই ডিম ডিম ডিম...সেদ্ধ ডিম...মুরগির ডিম...হাঁসের ডিম।’ আর তা হবেইবা না কেন? সহজলভ্য পুষ্টির উত্স হিসেবে ডিমের তুলনা কেবল ডিমই হতে পারে। তাই বাড়িতে বা রেস্তোরাঁয় সকাল-বিকেলের নাশতাতেই হোক... See details

healthprior21 (one stop 'Portal Hospital')