নারী-পুরুষ যে-কোনও মানুষের শরীরে এইচআইভি পাওয়া গেলে তাকে ভয় পাওয়া, ঘৃণা করা বা তার কাছ থেকে দূরে থাকা উচিত নয়। তাকে সমবেদনা জানানো, যত্ন করা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। রোগটি ঘৃণার হলেও মানুষ তো আর কোনওক্রমেই ঘৃণার পাত্র নয়। তাই এইচআইভি অন্য কারও বা নিজের শরীরে পাওয়া গেলে কাউন্সেলিংয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। এইচআইভি পজিটিভ হলে তাত্ক্ষণিক মৃত্যু ঘটবে না। তবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে একজন রোগী দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে পারবেন। রোগীর আশা ও আত্মবিশ্বাস অত্যন্ত জরুরি।
মনে রাখবেন, যে-কোনও ধরনের দুশ্চিন্তা পরিহার করে স্বাভাবিক জীবনযাপন চালিয়ে যেতে হবে। কোনওভাবেই ভেঙে পড়লে চলবে না। মানসিকভাবে ভেঙে না গিয়ে সহজভাবে এর মোকাবিলা করতে হবে। দৈনন্দিন চাকরি, ব্যবসা, স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যাওয়া ও নিয়মিত বিশ্রাম এব প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং সুষম, পরিমিত, পুষ্টিকর ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। মহিলাদের ক্ষেত্রে সন্তান নিতে চাইলে বা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে চাইলে সন্তানের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এইচআইভি সংক্রমিত মায়ের বুকের দুধ পরিহার করতে হবে। কারণ এটি থেকে ৫-১০ শতাংশ শিশু সংক্রমিত হতে পারে। সংক্রমিত মাকে অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি দিয়ে চিকিত্সা করলে বুকের দুধের সংক্রমণ কমতে পারে। তাই এ ব্যাপারে চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত।
সূত্র - দৈনিক আমাদের সময়
এই বিষয় গণ সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে l এইচআইভি শুধু নিজের সচেতনতার অভাবেই হয় না, বরং অনেক সময় অন্য মানুষের ভুলের জন্য ও হয়ে থাকে l


Comments