টেস্টিকুলার পেইন
টেস্টিকল বা অন্ডকোষের ব্যাথা কোনভাবেই অবহেলা করা উচিত নয়। খুব বেশি সময় ধরে এই ব্যাথা উপেক্ষিত থাকলে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। টেস্টিকলের ব্যাথা হতে পারে হারনিয়া’র কারনে। এমনকি ক্যানসারের কারনেও হতে পারে। আবার অনেক সময় শুক্রানুবাহী নালীসমূহ পেঁচিয়ে যেতে পারে। যাকে ইংরেজিতে ‘টেস্টিকুলার টরসন’ বলে। এতে দৈহিক-মানসিক তীব্র যন্ত্রণা দেখা দিতে পারে।
‘হেমাটোসিলি’ এক ধরনের অবস্থা যাতে অন্ডকোষের থলিতে রক্ত জমা হয়। সরাসরি কোন আঘাত পেলে এধরনের অবস্থা হতে পারে। এতেও তীব্র ব্যাথাসহ অন্ডকোষ ফুলে যেতে পারে।
‘এপিডিডাইমিস’ – একধরনের পেঁচানো নালী যা অন্ডকোষের পিছনের দিকে থাকে, যাতে শুক্রানুসমূহ সঞ্চিত থাকে এবং প্রয়োজন মূহুর্তে সরবরাহ করে - এর প্রদাহের কারনেও ব্যাথা হতে পারে।
যদি আপনার টেস্টিকলে স্পর্শমাত্র তীব্র ব্যাথা সাথে মনে হয় অন্ডকোষ যেন নুডুলসে ভরা, তাহলে হতে পারে ভেরিকোস ভেইনস যা ‘ভেরিকোসিলিস’ নামে পরিচিত।
আপনার টেস্টিকল এ হঠাৎ ব্যাথা শুরু হল আর আপনি যদি মনে করেন যে আপনা থেকেই সেরে যাবে এবং এই ভেবে ব্যাথাকে উপেক্ষা করেন, তাহলে হয়তো একসময় আপনাকে আপনার টেস্টিকলকে হারাতে হবে।
(পরের পর্বে দেখুন থান্ডারক্ল্যাপ হেডেক)
ডিসকভারি ফিট এন্ড হেলথ থেকে হেলথ প্রায়র ২১।

